যে কারণে বাতিল হতে পারে পোস্টাল ব্যালট

গণভোট ও জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্যবহৃত পোস্টাল ব্যালট নির্দিষ্ট কিছু ত্রুটি থাকলে তা বাতিল করা হবে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ঘোষণাপত্র ও ভোটারের স্বাক্ষর ছাড়া পাঠানো ব্যালটসহ মোট নয়টি কারণে এসব ভোট গণনায় ধরা হবে না।
বিজ্ঞাপন
এ সংক্রান্ত নির্দেশনা দিয়ে ইসির উপ-সচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন ইতোমধ্যে সব রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে চিঠি পাঠিয়েছেন।
চিঠিতে বলা হয়, বৈধ ব্যালট পেপারগুলো জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ক্ষেত্রে প্রার্থীভিত্তিক এবং গণভোটের ক্ষেত্রে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভিত্তিতে আলাদা করে গণনা করতে হবে। তবে নিম্নোক্ত পরিস্থিতিতে প্রিজাইডিং অফিসার কোনো প্রার্থীর অনুকূলে পোস্টাল ব্যালট গণনা করবেন না—খামের ভেতরে ঘোষণাপত্র না থাকলে; ঘোষণাপত্রে ভোটারের স্বাক্ষর না থাকলে; একাধিক প্রতীকে টিক বা ক্রস চিহ্ন দিলে; কোনো প্রতীকে টিক বা ক্রস চিহ্ন না দিলে; এমনভাবে চিহ্ন দেওয়া হলে যাতে ভোটটি কার পক্ষে তা নিশ্চিত হওয়া না যায়; প্রবাসী ভোটারদের (OCV) ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট আসনের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের প্রতীক ছাড়া অন্য প্রতীকে চিহ্ন দিলে; টিক বা ক্রস ছাড়া অন্য কোনো চিহ্ন ব্যবহার করলে।
বিজ্ঞাপন
এ ছাড়া, গণনার সময় বাতিল বা অবৈধ ঘোষিত ব্যালট পেপারগুলো আলাদা একটি নির্ধারিত খামে সংরক্ষণ করতে হবে এবং খামের ওপর মোট সংখ্যা উল্লেখ করতে হবে। ফলাফল বিবরণীতেও বাতিল ব্যালটের সংখ্যা লিপিবদ্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, কোনো আসনের পোস্টাল ব্যালট ভোট গণনা শুরুর আগে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে পৌঁছাতে না পারলে সেগুলো গণনার আওতায় আনা হবে না।
বিজ্ঞাপন
কোনো আদালতের আদেশে প্রার্থীর তালিকায় পরিবর্তন এলে ওই আসনের পোস্টাল ব্যালট গণনার প্রয়োজন হবে না। এখানে ‘যথাসময়’ বলতে ভোটগ্রহণের দিনসহ আগের চার দিন—মোট পাঁচ দিনকে বোঝানো হয়েছে।
QR কোড ডুপ্লিকেট হওয়া বা ভোটার ব্যালট পাওয়ার পর খামের QR কোড স্ক্যান না করার কারণে বাতিল হওয়া ব্যালটগুলো আলাদাভাবে সংরক্ষণ ও হিসাব প্রকাশের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
উল্লেখ্য, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। দেশে দায়িত্ব পালনরত সরকারি চাকরিজীবী, কারাবন্দি, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য এবং প্রবাসী ভোটার মিলিয়ে পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার জন্য নিবন্ধন করেছেন ১৫ লাখ ৩৩ হাজার ভোটার।








