শেরপুর-৩ ও বগুড়া-৬ আসনে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হচ্ছে কাল

শেরপুর-৩ ও বগুড়া-৬ সংসদীয় আসনের নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে নির্বাচনী প্রচারণা আগামী সোমবার (১৬ মার্চ) থেকে শুরু হবে। রবিবার এই দুটি আসনের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
শেরপুর-৩ আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন জানিয়েছেন, এই আসনে মোট তিনজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে মো. মাহমুদুল হক রুবেল ধানের শীষ প্রতীকে, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে মো. মাসুদুর রহমান দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে এবং বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী) থেকে একজন প্রার্থী কাঁচি প্রতীকে নির্বাচন করছেন।
জাহাঙ্গীর হোসেন আরও জানান, গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় এই আসনের জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মৃত্যুবরণ করায় নির্বাচন বাতিল ঘোষণা করা হয়েছিল। পরে নির্বাচন কমিশন (ইসি) নতুন তফসিল ঘোষণা করে।
বিজ্ঞাপন
অপরদিকে, বগুড়া-৬ আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. ফজলুল করিম বাসসও রবিবার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, এই আসনের তিনজন প্রার্থী হচ্ছেন বিএনপি থেকে মো. রেজাউল করিম বাদশা ধানের শীষ প্রতীকে, জামায়াতে ইসলামী থেকে মো. আবিদুর রহমান দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি থেকে একজন প্রার্থী ফুলকপি প্রতীকে নির্বাচন করছেন।
ফজলুল করিম জানিয়েছেন, বগুড়া-৬ আসনের নির্বাচনী পরিবেশ ইতোমধ্যেই ভালো রয়েছে। তিনি মনে করিয়েছেন, গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই আসনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জয়ী হন, কিন্তু সংসদে একই সঙ্গে দুটি আসনের সদস্য হওয়ার বিধান অনুযায়ী ঢাকা-১৭ আসন রাখার কারণে বগুড়া-৬ আসনটি শূন্য ঘোষণা করা হয় এবং পুনঃনির্বাচনের জন্য নতুন তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী, উভয় আসনের ভোটগ্রহণ আগামী ৯ এপ্রিল বৃহস্পতিবার সকাল ৭টা থেকে বিকেল ৪টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ব্যালট পেপারের মাধ্যমে স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সে অনুষ্ঠিত হবে। প্রার্থীরা সোমবার থেকে গণসংযোগ ও নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করতে পারবেন।








