সংসদ সদস্য না হয়েও মন্ত্রিসভায় জায়গা পাচ্ছেন যারা

বিএনপি নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারের মন্ত্রিসভায় মোট ৪৯ জনকে শপথের জন্য ডাকা হয়েছে। এর মধ্যে ২৫ জন পূর্ণমন্ত্রী এবং ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেবেন। সংসদ সদস্য না হয়েও টেকনোক্র্যাট কোটায় মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর তালিকায় রয়েছেন কয়েকজন।
বিজ্ঞাপন
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ে নবনিযুক্ত মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ গ্রহণ করবেন। এর আগে সকালে জাতীয় সংসদ ভবনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা এমপি হিসেবে শপথ নেন।
পূর্ণমন্ত্রীদের তালিকায় টেকনোক্র্যাট কোটায় জায়গা পেয়েছেন দুজন— খলিলুর রহমান এবং আমিনুর রশিদ হাজী ইয়াসিন। তারা কেউই বর্তমান সংসদের নির্বাচিত সদস্য নন।
বিজ্ঞাপন
খলিলুর রহমান এর আগে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক অঙ্গনে আলোচনায় রয়েছে, তিনি নতুন সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে পারেন। যদিও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এখনো আসেনি।
অন্যদিকে, বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হাজী আমিনুর রশিদ হাজী ইয়াসিনকেও মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে প্রস্তুত থাকার জন্য সংসদ সচিবালয় থেকে ফোন করা হয়েছে বলে জানা গেছে। তিনি কোন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাচ্ছেন, তা এখনও নিশ্চিত করা হয়নি।
প্রতিমন্ত্রীদের তালিকায় টেকনোক্র্যাট কোটায় রয়েছেন আমিনুল হক। তিনি ঢাকা-১৬ আসনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিলেও জয়ী হতে পারেননি। তবুও তাকে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথের জন্য ডাকা হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
সংবিধান অনুযায়ী, সংসদ সদস্য না হয়েও নির্দিষ্ট কোটা অনুযায়ী মন্ত্রিসভায় টেকনোক্র্যাট অন্তর্ভুক্তির সুযোগ রয়েছে। সেই বিধান অনুসারেই এ তিনজনকে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
নতুন মন্ত্রিসভায় রাজনৈতিক নেতৃত্বের পাশাপাশি পেশাগত ও নীতিনির্ধারণী অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ব্যক্তিদের যুক্ত করার কৌশল হিসেবে টেকনোক্র্যাট অন্তর্ভুক্তিকে দেখা হচ্ছে। শপথের পরপরই মন্ত্রণালয় বণ্টন সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে। এখন সবার নজর নতুন মন্ত্রিসভার দায়িত্ব বণ্টন ও কার্যক্রম শুরুর দিকে।








