পাম্পে তেলের ঘাটতির কারণ জানাল মালিক সমিতি

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি ও সরবরাহ সীমিত হওয়ার আশঙ্কায় রাজধানীর পাম্পগুলোতে ভিড় বেড়েছে। শনিবার (৭ মার্চ) পরিস্থিতি আরও প্রকট আকার ধারণ করে। অনেক পাম্প ‘তেল নেই’ উল্লেখ করে বিক্রি বন্ধ ঘোষণা করায় সাধারণ মানুষ বিপাকে পড়েন।
বিজ্ঞাপন
বাংলাদেশ পেট্রোল পাম্প মালিক সমিতির একাংশের সভাপতি নাজমুল হক জানিয়েছেন, এই সংকটের মূল কারণ গত দুই দিনে স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক বেশি তেল বিক্রি হওয়া। অনেক গ্রাহক প্রয়োজনের তুলনায় বেশি তেল সংগ্রহ করেছেন, যা পাম্পগুলোতে তেলের দ্রুত ফুরিয়ে যাওয়ার অন্যতম কারণ।
তিনি আরও বলেন, শুক্র ও শনিবার সরকারি ছুটির দিন হওয়ায় সাধারণত তেলবাহী গাড়ি চলাচল কম থাকে এবং পাম্পে সরবরাহও বন্ধ থাকে। তবে সেচ মৌসুমে (মার্চ থেকে মে) এই নিয়ম শিথিল করা হয়। কিন্তু চলমান পরিস্থিতিতে তা কার্যকর করা হয়নি। এতে পাম্প মালিকরা সমস্যায় পড়েছেন।
বিজ্ঞাপন
নাজমুল হক জানিয়েছেন, গ্রাহকেরা অনেক সময় মনে করছেন পাম্পের মালিকরা ইচ্ছাকৃতভাবে তেল দিচ্ছেন না। কিন্তু বাস্তবে দুপুরের মধ্যেই পাম্পের তেল শেষ হয়ে যাচ্ছে। পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এসে যাচাইও করেছে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, মার্চ থেকে মে পর্যন্ত সেচ মৌসুমে জ্বালানি তেলের চাহিদা স্বাভাবিকের তুলনায় বেড়ে যায়। এই মৌসুমে তেলের সরবরাহ ও ক্রয় ব্যবস্থাপনায় সাময়িক অসামঞ্জস্যও সংকটকে তীব্র করে।
বিজ্ঞাপন
এদিকে, রাজধানীর সাধারণ মানুষ সরকার ও পাম্প কর্তৃপক্ষের কাছে তেলের সরবরাহ স্থিতিশীল করার আহ্বান জানিয়েছেন। নিরাপদ ও স্বচ্ছ বিতরণ না হলে সামনের দিনগুলোতে ভোগান্তি আরও বেড়ে যেতে পারে।
উল্লেখ্য, দেশের জ্বালানি বাজারে এমন ভিড় ও সংকট ইতিমধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।








