স্বল্প ব্যয়ে প্রধানমন্ত্রীর জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে ‘যমুনা’

রাজধানীর মিন্টো রোডে অবস্থিত রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন ‘যমুনা’ নতুন প্রধানমন্ত্রীর আবাসন হিসেবে প্রস্তুত করা হয়েছে। অপ্রয়োজনীয় খরচ এড়িয়ে সীমিত বাজেটের মধ্যেই প্রয়োজনীয় সংস্কার ও প্রস্তুতির কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
বিজ্ঞাপন
এর আগে সাবেক প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস জাতীয় নির্বাচনের পর গত ২৮ ফেব্রুয়ারি এই ভবন ছেড়ে দেন। বর্তমানে নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এখানে বসবাসের জন্য উঠবেন বলে জানা গেছে।
গণপূর্ত অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী ‘যমুনা’ ভবন প্রস্তুতের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ব্যয় এড়িয়ে চলা হয়েছে। নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় অভ্যন্তরীণ সুবিধা নিশ্চিত করেই সীমিত পরিসরে সংস্কারকাজ পরিচালনা করা হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
গণপূর্তের প্রধান প্রকৌশলী মো. খালেকুজ্জামান চৌধুরী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা ছিল অযথা খরচ না করার বিষয়ে। সে অনুযায়ী ভবনের ভেতরে রঙ করা, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও জীবাণুমুক্তকরণ (হাইজেনিক ওয়াশ) করা হয়েছে। সবকিছুই সাশ্রয়ী ব্যয়ের মধ্যে সম্পন্ন করার চেষ্টা করা হয়েছে।
ইতোমধ্যে তারেক রহমান কয়েকটি সরকারি কর্মসূচি ‘যমুনা’ ভবনে পালন করেছেন। তবে তিনি কবে আনুষ্ঠানিকভাবে এখানে বসবাস শুরু করবেন, সে বিষয়ে এখনো নির্দিষ্ট কোনো তারিখ জানানো হয়নি।
প্রধান প্রকৌশলী আরও জানান, প্রয়োজনীয় নির্দেশনা পেলেই দ্রুত প্রস্তুতি সম্পন্ন করা সম্ভব। সিদ্ধান্ত হলে সর্বোচ্চ দুই সপ্তাহের মধ্যেই বসবাসের উপযোগী করে তোলা যাবে ‘যমুনা’ ভবন।
বিজ্ঞাপন
অন্যদিকে ঈদের পর মিন্টো রোডের সরকারি বাসভবনে উঠবেন বিরোধী দলের নেতা ডা. শফিকুর রহমান। এ লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট বাসাগুলোর সংস্কারকাজও চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।
গণপূর্ত বিভাগ জানায়, যেসব সরকারি বাসভবন তাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে, সেগুলোর প্রয়োজনীয় সংস্কার কাজ চলছে। কিছু মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত বাংলো ঈদের আগেই হস্তান্তর করা সম্ভব হবে। বাকি বাসাগুলো ঈদের পর পর্যায়ক্রমে বুঝিয়ে দেওয়া হবে।
বিজ্ঞাপন
এদিকে ইতোমধ্যে কয়েকজন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী মিন্টো রোডের নির্ধারিত বাসভবনে উঠেছেন বলেও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।








