৩৫ বছর পর জাতীয় ঈদগাহে নামাজ পড়বেন প্রধানমন্ত্রী

দীর্ঘ ৩৫ বছর পর দেশের নির্বাচিত কোনো পুরুষ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাতে অংশ নিতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে একই জামাতে তার অংশগ্রহণকে দেশের রাজনৈতিক ও ধর্মীয় ইতিহাসে বিশেষ মুহূর্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বিজ্ঞাপন
১৯৮৯-৯০ সালে কাজী জাফর আহমদ ছিলেন দেশের শেষ পুরুষ প্রধানমন্ত্রী, যিনি জাতীয় ঈদগাহে প্রধান জামাতে অংশ নিয়েছিলেন। এরপর দীর্ঘ তিন দশক পার হয়ে এবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী হবেন।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের আয়োজনে জাতীয় ঈদগাহে সকাল সাড়ে ৮টায় প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে।
বিজ্ঞাপন
স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম সাংবাদিকদের জানান, এবারের প্রধান জামাত বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ন। স্বাধীন ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত নতুন সরকারে প্রধানমন্ত্রী সরাসরি অংশ নিচ্ছেন। দীর্ঘদিন পর রাষ্ট্রপতি ও একজন পুরুষ প্রধানমন্ত্রীর একসঙ্গে নামাজ পড়া দেশের ইতিহাসে বিরল ঘটনা।
সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আবদুস সালাম জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজে ঈদগাহে উপস্থিত থেকে নামাজ আদায় করবেন। তার সঙ্গে মন্ত্রিপরিষদের সদস্যসহ রাষ্ট্রের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারাও উপস্থিত থাকবেন। এ জামাতে নারী ও পুরুষ মিলিয়ে প্রায় ৪০ হাজার মানুষ নামাজ আদায় করতে পারবেন। নারী মুসল্লীদের জন্য আলাদা নামাজের স্থান এবং ওজু করার সুব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
এর আগে প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে ফখরুদ্দীন আহমদ এবং নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস প্রধান জামাতে অংশ নিলেও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ১৯৯০ সালের পর এটি প্রথমবারের মতো হচ্ছে।
বিজ্ঞাপন
জাতীয় ঈদগাহে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ, র্যাব ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন থাকবে। ভিভিআইপিদের সুরক্ষার জন্য স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স (এসএসএফ) সক্রিয়ভাবে দায়িত্ব পালন করবে।
প্রশাসক নগরবাসীর কাছে আহ্বান জানিয়েছেন, সবাই সময়মতো উপস্থিত থেকে দেশের ঐতিহাসিক এই ঈদ জামাতে অংশ নিক।
বিজ্ঞাপন
বৃষ্টি বা অন্যান্য প্রাকৃতিক পরিস্থিতির জন্য বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ঈদগাহে আয়োজন এবং নিরাপত্তার প্রস্তুতি সম্পূর্ণ করে প্রশাসন আশা করছে, দেশের মানুষ এক নিরাপদ ও ধর্মীয় মর্যাদা অনুযায়ী ঈদ উদযাপন করবেন।








