কারাগারে একই জামাতে সাবেক মন্ত্রী-এমপিরা, রাজসাক্ষীর সঙ্গে কথা বলেননি কেউ

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন কারাগারে জামাতে অংশগ্রহণ করে বন্দিরা ঈদের আনন্দ উপভোগ করেছেন। রাজধানীর ঢাকার কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারের বিশেষ কারাগারেও এ আয়োজন করা হয়।
বিজ্ঞাপন
শনিবার (২১ মার্চ) কেরানীগঞ্জের বিশেষ কারাগারে সকাল সাড়ে ৮টায় কারা কর্তৃপক্ষের কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।
এতে অংশগ্রহণ করেন ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান-সংক্রান্ত মামলায় বন্দি থাকা প্রায় ১২৩ জন সাবেক মন্ত্রী, সংসদ সদস্য ও আমলা। একই জামাতে নামাজ আদায় করেন রাজসাক্ষী পুলিশ, সাবেক মহাপরিদর্শক চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন।
বিজ্ঞাপন
জামাত শেষে সাবেক মন্ত্রী-এমপি-আমলারা একে অপরের সঙ্গে কোলাকুলি ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। কিন্তু রাজসাক্ষী চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুনকে কেউ ধাবিতভাবে দেখেনি বা তার সঙ্গে কোলাকুলি করেনি। তিনি জামাতের শেষে নিরাপত্তা পাহারার সঙ্গে আলাদা অবস্থানে ছিলেন।
কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারের জেল সুপার ফারুক আহমেদ জানিয়েছেন, সকালে বন্দিদের জন্য মুড়ি ও পায়েস পরিবেশন করা হয়। এরপর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়, যেখানে বন্দিরা অংশগ্রহণ করে আনন্দের মুহূর্ত কাটান। দুপুরে পরিবেশিত হয় বিশেষ খাবার—পোলাও, গরুর রেজালা (বিকল্প খাসি মাংস), সেদ্ধ ডিম, মুরগির রোস্ট, মিষ্টি, সালাদ ও পান-সুপারি। রাতের খাবারে পরিবেশন করা হবে সাদা ভাত, রুই মাছ ও আলুর দম।
বিজ্ঞাপন
কারা অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকাসহ দেশের ৭৩টি কারাগারে হাজতি ও কয়েদি মিলিয়ে বন্দির সংখ্যা প্রায় ৮০ হাজার। ঈদের দিন এবং পরবর্তী দুই দিনে বন্দিরা একদিনের জন্য স্বজনদের রান্না করা খাবার খেতে পারবেন। এছাড়া প্রতিটি বন্দি মোবাইল ফোনে তিন মিনিট করে স্বজনদের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ পাবেন।








