শিক্ষকদের মামলা শেষ হলেও আর্থিক সুবিধা নিয়ে গড়িমসির অভিযোগ

মামলা প্রত্যাহার হওয়া এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের আর্থিক সুবিধা প্রদানে জটিলতা ও ধীরগতির বিষয়ে জাতীয় সংসদে প্রশ্ন উত্থাপন করেছেন ময়মনসিংহ-৬ আসনের সংসদ সদস্য কামরুল হাসান। তিনি এ বিষয়ে আইন মন্ত্রণালয়ের ভূমিকা কী হবে, তা জানতে চান।
বিজ্ঞাপন
বুধবার (১ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি বিষয়টি তুলে ধরেন।
কামরুল হাসান বলেন, বিভিন্ন সময় মামলা প্রত্যাহার হওয়ার পরও সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে আর্থিক সুবিধা প্রদানে বিলম্ব বা গড়িমসি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এ অবস্থায় বিষয়টির সমাধানে আইন মন্ত্রণালয় কী ধরনের পদক্ষেপ নিতে পারে, তা স্পষ্ট করার আহ্বান জানান তিনি।
বিজ্ঞাপন
জবাবে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেন, অতীতে এমপিওভুক্ত শিক্ষকসহ বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের মামলা হয়েছে, যেগুলোর অনেকগুলোই পরবর্তীতে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, এমন কিছু মামলার উদাহরণ রয়েছে যেগুলো বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল না।
মন্ত্রী আরও বলেন, যেসব মামলা প্রত্যাহার হয়েছে, সেগুলোর সার্টিফাইড কপি সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বা অধিদপ্তরে আবেদন করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। এরপর সংশ্লিষ্ট দপ্তর প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই করে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে পারবে।
তিনি জানান, এ ধরনের প্রশাসনিক ও আর্থিক জটিলতা নিরসনের জন্য মূল দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের ওপরই বর্তায়। আইন মন্ত্রণালয়ের পক্ষে সরাসরি এসব বিষয়ে হস্তক্ষেপের সুযোগ সীমিত।
বিজ্ঞাপন
আইনমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুততার সঙ্গে মামলা প্রত্যাহার-সংক্রান্ত জটিলতা নিষ্পত্তির আহ্বান জানান, যাতে ভুক্তভোগী শিক্ষকদের আর্থিক সুবিধা প্রাপ্তিতে আর বিলম্ব না হয়।
সংসদে উত্থাপিত এ প্রশ্নের মাধ্যমে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের দাবি ও প্রশাসনিক জটিলতা আবারও আলোচনায় এসেছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।








