দেশকে স্বনির্ভর করা সরকারের নতুন অঙ্গীকার: পানিসম্পদমন্ত্রী

দেশকে স্বনির্ভর করা এবং লক্ষ্মীপুরকে অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী করা সরকারের নতুন অঙ্গীকার বলে জানিয়েছেন পানিসম্পদমন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। তিনি বলেন, খাল খনন, নদী-নালা উন্নয়ন, কৃষি, প্রাণী ও মৎস্যচাষসহ এলাকার উন্নয়ন নিয়ে প্রেসিডেন্ট জিয়ার সময় থেকে বিভিন্ন উদ্যোগ ছিল। আজও অনেক অসমাপ্ত কাজ রয়েছে, যা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সম্পূর্ণ করবেন।
বিজ্ঞাপন
শনিবার (৪ এপ্রিল) বিকেলে লক্ষ্মীপুরে ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের আওতায় মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধকালীন সময়ে জেলেদের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানটি মৎস্য অধিদপ্তরের ব্যানারে জেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়।
মন্ত্রী বলেন, নদীতে মৎস্য আহরণের নিষিদ্ধকালীন সময়ে সরকার বরাদ্দ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করেছে, যা জেলেদের প্রতি সরকারের উদার নীতি ও সম্মান প্রদর্শন। প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে জনগণের পাশে থেকে প্রতিদিন বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছেন।
বিজ্ঞাপন
শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি জানান, লক্ষ্মীপুরের মজুচৌধুরীর হাট এলাকায় খাস জমিতে কৃষিভিত্তিক অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। জরিপ প্রক্রিয়া ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে। এ অঞ্চলে কৃষিভিত্তিক কলকারখানা গড়ে উঠলে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং স্থানীয় অর্থনীতি শক্তিশালী হবে। এছাড়া ভবানীগঞ্জ-মতিরহাট সড়ক নির্মাণ হলে, লক্ষ্মীপুর বরিশাল, ভোলা, চাঁদপুর ও কুমিল্লার মধ্যে একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ অঞ্চল হিসেবে গড়ে উঠবে।
মন্ত্রী লক্ষ্মীপুরবাসীর উদ্দেশ্যে বলেন, যতবার নির্বাচন হয়েছে, ততবার ধানের শীষে ভোট দিয়ে আমাদের বেছে নিয়েছেন। ফ্যাসিবাদ যখন ছিল, আমরা উপেক্ষিত হয়েছিলাম। এখন জনগণের সরকার দায়িত্বে আসার পর আমাদের প্রত্যাশা অনেক বেশি। আর কোনো বঞ্চনা বা অবহেলার শিকার হতে চাই না।
বিজ্ঞাপন
অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক এস এম মেহেদী হাসান সভাপতিত্ব করেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, লক্ষ্মীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য আবুল খায়ের ভূঁইয়া, লক্ষ্মীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য শাহাদাত হোসেন সেলিম, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক জিয়া হায়দার চৌধুরী, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব হেমায়েত হোসেন, জেলা প্রশাসক সাহাব উদ্দিন সাবু, জেলা পুলিশ সুপার মো. আবু তারেক, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাছিবুর রহমান এবং বাফুফে সহ-সভাপতি ওয়াহিদ উদ্দিন চৌধুরী হ্যাপি।
মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, এই প্রকল্পগুলো বাস্তবায়িত হলে লক্ষ্মীপুর শুধু স্থানীয় কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রই নয়, বরং দেশের কৃষি ও অর্থনীতিতে স্বনির্ভর একটি গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল হিসেবে গড়ে উঠবে।








