কৃষক কার্ড থেকে পাওয়া যাবে যেসব সুবিধা

কৃষকদের জন্য বহুল প্রতীক্ষিত ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচি প্রাথমিক পর্যায়ে চালু করতে যাচ্ছে সরকার। পহেলা বৈশাখকে সামনে রেখে এ কার্যক্রমের উদ্বোধনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। ধাপে ধাপে আগামী চার বছরের মধ্যে দেশের সব কৃষককে এই কার্ডের আওতায় আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
প্রাথমিক পর্যায়ে দেশের ৮টি বিভাগের ১০টি জেলা, ১১টি উপজেলা ও ১১টি ব্লকে এই কর্মসূচি চালু করা হবে। উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
রবিবার (১২ এপ্রিল) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, কৃষকদের আর্থিক সহায়তা ও কৃষি উপকরণ সহজলভ্য করতে এই কার্ড গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
বিজ্ঞাপন
কৃষক কার্ডের আওতায় ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকদের বছরে সরাসরি ২ হাজার ৫০০ টাকা নগদ সহায়তা দেওয়া হবে। পাশাপাশি এই কার্ডের মাধ্যমে আরও অন্তত ১০ ধরনের সুবিধা পাওয়া যাবে, যা কৃষি কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে সহায়ক হবে।
প্রথম ধাপে মোট ২২ হাজার ৬৫ জনকে এই কর্মসূচির আওতায় আনা হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছেন কৃষক, মৎস্যচাষি ও আহরণকারী, প্রাণিসম্পদ খামারি, দুগ্ধ খামার মালিকসহ বিভিন্ন শ্রেণির কৃষিজীবী মানুষ। ভূমিহীন থেকে শুরু করে ক্ষুদ্র, প্রান্তিক, মাঝারি ও বড় কৃষকরাও এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন। এছাড়া লবণ চাষিদেরও এতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: শপথ গ্রহণ নিলেন নবনির্বাচিত দুই এমপি
বিজ্ঞাপন
এই কার্ড ব্যবহারের মাধ্যমে কৃষকরা বিভিন্ন প্রণোদনা ও সরকারি সেবা গ্রহণ করতে পারবেন। একইসঙ্গে অনুমোদিত ডিলারদের কাছে থাকা পয়েন্ট অব সেল (POS) মেশিন ব্যবহার করে সার, বীজ, মাছ ও প্রাণিখাদ্যসহ বিভিন্ন কৃষি উপকরণ সহজে ক্রয় করা যাবে।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, কৃষক কার্ড চালু হলে কৃষি খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বাড়বে এবং সরাসরি কৃষকদের হাতে সহায়তা পৌঁছে দেওয়া সহজ হবে। এতে উৎপাদন বাড়ার পাশাপাশি কৃষকের জীবনমান উন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।








