বাতিল অধ্যাদেশগুলো যাচাই-বাছাই হবে, বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে বিরোধীদল: আইনমন্ত্রী

সংসদে বিল পাসের মাধ্যমে বাতিল হওয়া অধ্যাদেশগুলো পরবর্তী সময়ে যাচাই-বাছাই করা হবে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, এসব ইস্যুতে বিরোধীদলীয় নেতারা বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন।
বিজ্ঞাপন
রোববার সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে জাতীয় সংসদে উত্থাপিত ১৩৩টি অধ্যাদেশ নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ও চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি উপস্থিত ছিলেন।
আইনমন্ত্রী জানান, রহিত হওয়া কিছু অধ্যাদেশ পুনরায় পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় সংশোধনের মাধ্যমে যাচাই-বাছাই করা হবে। বিশেষ করে ২০টি অধ্যাদেশ ইতোমধ্যে কার্যকারিতা হারিয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি আরও বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে জারি করা অধ্যাদেশগুলোর মধ্যে সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ, স্বতন্ত্র সচিবালয়, জাতীয় সংসদ সচিবালয় ও মানবাধিকার কমিশন–সংক্রান্ত কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশ সংসদে বিল পাসের মাধ্যমে বাতিল করা হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
এগুলো বাতিল হওয়ায় বিচার বিভাগের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ নিয়ে কিছু ঝুঁকি তৈরি হয়েছে বলে বিরোধীদলীয় পক্ষের অভিযোগ রয়েছে।
তবে এসব সমালোচনার জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, যেসব বক্তব্যে বলা হচ্ছে সরকার অধ্যাদেশগুলো বাদ দিয়েছে, তা সঠিক নয়; বরং বিষয়টি নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি করা হচ্ছে।
বিজ্ঞাপন
তিনি জানান, ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে সাতটি বিল আকারে বাতিল করা হয়েছে এবং আরও ১৩টি অধ্যাদেশ স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিলুপ্ত হয়েছে। ১২ মার্চ সংসদের অধিবেশন শুরুর পর সংবিধান অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অনুমোদন না পাওয়ায় এসব অধ্যাদেশ কার্যকারিতা হারিয়েছে।








