জুলাই সনদের প্রতিটি দফা অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করবে সরকার

জনগণের সঙ্গে করা প্রতিশ্রুতি পূরণে সরকার সম্পূর্ণভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, নির্বাচনী ইশতেহার এবং জনগণের সামনে স্বাক্ষরিত জুলাই সনদের প্রতিটি দফা ও অঙ্গীকার অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করবে সরকার।
বিজ্ঞাপন
শনিবার (২৫ এপ্রিল) রাজধানীর বিয়াম ফাউন্ডেশন মিলনায়তনে একটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের নতুন ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকারের দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো কেবল রাজনৈতিক অঙ্গীকার নয়; এগুলো জনগণের সঙ্গে সম্পাদিত একটি দায়বদ্ধ চুক্তি। জনগণ নির্বাচনের মাধ্যমে যে আস্থা ও সমর্থন দিয়েছে, তার যথাযথ প্রতিফলন ঘটানো বর্তমান সরকারের দায়িত্ব। সেই কারণেই নির্বাচনী ইশতেহার ও জুলাই সনদের প্রতিটি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সরকার দৃঢ় অবস্থানে রয়েছে।
বিজ্ঞাপন
তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনায় দক্ষ, জবাবদিহিমূলক এবং জনমুখী প্রশাসন গড়ে তোলা বিএনপি সরকারের দীর্ঘদিনের লক্ষ্য। সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে প্রশাসনিক প্রশিক্ষণ ও সক্ষমতা বৃদ্ধির বিকল্প নেই।
বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট (বিয়াম)-এর প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে আজ পর্যন্ত কার্যক্রমের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের প্রশাসনিক কাঠামোকে আরও দক্ষ ও আধুনিক করে তুলতে প্রতিষ্ঠানটি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছে। একটি কার্যকর ও প্রশিক্ষিত জনপ্রশাসন গঠনে বিয়ামের ভূমিকা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
তিনি উল্লেখ করেন, নতুন ট্রেনিং-কাম-ডরমিটরি ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শুধু অবকাঠামোগত উন্নয়নের একটি পদক্ষেপ নয়; এটি প্রশাসনিক দক্ষতা বৃদ্ধি, নেতৃত্ব বিকাশ এবং মানবসম্পদ উন্নয়নে সরকারের দীর্ঘমেয়াদি অঙ্গীকারের বাস্তব প্রতিফলন।
বিজ্ঞাপন
প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই নতুন ভবন ভবিষ্যতের প্রশাসনিক নেতৃত্ব তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এটি কেবল একটি ভবন হিসেবে সীমাবদ্ধ থাকবে না; বরং জ্ঞানচর্চা, অভিজ্ঞতা বিনিময়, দক্ষতা উন্নয়ন এবং নেতৃত্ব বিকাশের একটি প্রাণবন্ত কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠবে।
তিনি আরও বলেন, আধুনিক রাষ্ট্র ব্যবস্থাপনায় দক্ষ মানবসম্পদই সবচেয়ে বড় সম্পদ। আর সেই মানবসম্পদ তৈরিতে বিয়াম দীর্ঘদিন ধরে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। নতুন এই অবকাঠামো সেই প্রচেষ্টাকে আরও বেগবান করবে।
বিজ্ঞাপন
সরকারি কর্মকর্তাদের পেশাগত দক্ষতা উন্নয়ন, প্রশাসনিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠায় এ ধরনের উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেও মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী।
অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, নতুন ট্রেনিং-কাম-ডরমিটরি ভবন নির্মিত হলে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম আরও সম্প্রসারিত হবে এবং একসঙ্গে আরও বেশি সংখ্যক কর্মকর্তাকে আধুনিক ও যুগোপযোগী প্রশিক্ষণ দেওয়া সম্ভব হবে।








