ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা শনাক্তে কঠোরতা, ৬৪৭৬ জনের গেজেট বাতিল

দেশে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা শনাক্তে দীর্ঘদিন ধরে চলমান যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ২০১০ সাল থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত মোট ৬ হাজার ৪৭৬ জনের মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতির গেজেট বাতিল করা হয়েছে। বিষয়টি জাতীয় সংসদে তুলে ধরেছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়কমন্ত্রী আহমেদ আযম খান।
বিজ্ঞাপন
বুধবার (২৯ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে সংসদ সদস্য মো. আবুল কালামের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ তথ্য জানান। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে এ সংক্রান্ত তথ্য টেবিলে উপস্থাপন করা হয়।
মন্ত্রী জানান, কারও বিরুদ্ধে অমুক্তিযোদ্ধা হিসেবে অভিযোগ উত্থাপিত হলে তা গুরুত্ব সহকারে পর্যালোচনা করা হয়। এ ক্ষেত্রে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা) এবং মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় যৌথভাবে তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করে। অভিযোগ পাওয়ার পর জামুকার সদস্যদের নিয়ে গঠিত উপকমিটি তদন্ত, শুনানি এবং নথিপত্র যাচাইয়ের মাধ্যমে বিষয়টি পরীক্ষা করে।
বিজ্ঞাপন
যাচাই-বাছাই শেষে অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে গেজেট বাতিলের সুপারিশ করা হয় বলে জানান মন্ত্রী।
তিনি আরও বলেন, এ ধরনের তদন্ত কার্যক্রম একটি নিয়মিত ও চলমান প্রক্রিয়া, যা মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা সঠিক রাখতে অব্যাহত রয়েছে।
বিজ্ঞাপন
এছাড়া মন্ত্রী উল্লেখ করেন, ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত পাওয়া অভিযোগের ভিত্তিতে ৪৮১ জনের গেজেট, লাল মুক্তিবার্তা এবং ভারতীয় তালিকাভুক্তির স্বীকৃতিও বাতিল করা হয়েছে।








