রপ্তানি যোগ্য পণ্যের মধ্যে আম হবে অন্যতম: কৃষিমন্ত্রী

বিগত বছরের ধারাবাহিকতায় এবারও বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আম রপ্তানি শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাজধানীর ফার্মগেটের বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল মিলনায়তনে আম রপ্তানি উদ্বোধন করেন কৃষি মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। রপ্তানিযোগ্য আম উৎপাদন প্রকল্পের উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে কৃষক, উদ্যোক্তা, রপ্তানিকারক, দূতাবাসের কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আব্দুর রহিমের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. রফিকুল ই মোহামেদ।
বিজ্ঞাপন
কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেন, পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের আমের যথেষ্ট সুনাম ও চাহিদা রয়েছে। রপ্তানিকারক যে সকল পণ্য রয়েছে তার মধ্যে অন্যতম পাথেয় হবে আম। বাজারের চাহিদা অনুযায়ী উন্নয়ন আমের জাত তৈরি করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, বৈদেশিক আয় বৃদ্ধি করতে আম রপ্তানি খুবই সম্ভাবনাময়। আম রপ্তানির ক্ষেত্রে বিমান ভাড়া প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে অতিদ্রুত এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেবে সরকার। পাশাপাশি আম বাগানের পতিত জমিতে বস্তায় আদা চাষ বৃদ্ধি পাচ্ছে এর ফলে বাংলাদেশ এক সময় আদা আমদানি করা থেকে বিরত থাকবে।
বিজ্ঞাপন
রপ্তানিযোগ্য আম উৎপাদন প্রকল্পের মাধ্যমে বিভিন্ন দেশে আম রপ্তানি করে চলছে। বাংলাদেশ থেকে বিশ্বের ৩৮টিরও বেশি দেশে আম রপ্তানি হয়। যুক্তরাজ্য, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং মধ্যপ্রাচ্যের পাশাপাশি চীনের বাজারেও বাংলাদেশি আম রপ্তানি হচ্ছে। রপ্তানিকৃত জনপ্রিয় জাতগুলোর মধ্যে রয়েছে, হিমসাগর, ল্যাংড়া, আম্রপালি, ফজলি এবং হাড়িভাঙ্গা।








