বাজেট অধিবেশন শুরু আগামী ৭ জুন: স্পিকার

আগামী ৭ জুন থেকে বাজেট অধিবেশন শুরু হবে বলে জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীরবিক্রম)।
বিজ্ঞাপন
তিনি বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতির বর্তমান পরিস্থিতি ও ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা এ বাজেট অধিবেশনের মাধ্যমে জনগণের সামনে আসবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সরকারি ও বিরোধী দল মিলিতভাবে এমন একটি বাজেট উপহার দেবে, যা জনজীবনে স্বস্তি আনবে।
মঙ্গলবার (২৬ মে) বিকেলে পাঁচ দিনের সফরে ভোলায় এসে সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
বিজ্ঞাপন
স্পিকার আরও বলেন, সরকার যে বাজেট প্রস্তাব করতে যাচ্ছে, তাতে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখার চেষ্টা থাকবে বলে তিনি আশা করেন।
বাজেটে উন্নয়নকাজ আরো ত্বরান্বিত করা হবে। বাজেট অধিবেশনের পর অর্থনীতির মূল চিত্র জনগণের সামনে আসবে। বাইরের বিনিয়োগকারীরাও বাংলাদেশ বিনিয়োগ করতে আসবেন।
তিনি বলেন, সরকারি দল বাজেট দেবে আর বিরোধী দল সমালোচনা করবে।
বিজ্ঞাপন
তবে গঠনমূলক সমালোচনাকে আমরা ওয়েলকাম করি। আমি দেখব যেন বিরোধী দল দায়িত্ব পালনের জন্য পর্যাপ্ত সময় পায়। সরকারি ও বিরোধী দলের মধ্যে সহযোগিতার মনোভাব আমি আগের অধিবেশনেও লক্ষ করেছি। এখনো আশা করি তাদের মধ্যে কো-অপারেশন থাকবে।
স্পিকার আরও বলেন, আমার ধারণা, এখন পর্যন্ত আমাদের এ জাতীয় সংসদ জনগণের আশা পূরণে সক্ষম হয়েছে এবং আগামী দিনে আরও ভালো ভূমিকা রাখবে। এ সংসদকে নিয়ে দেশবাসীর যে আশা-আকাঙ্ক্ষা সেটি বাস্তবায়নের জন্য প্রত্যেক সংসদ সদস্য আরো উদ্যোগী হবেন আমি আশা রাখি।
বিজ্ঞাপন
সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়ে মেজর হাফিজ বলেন, গত অনেকগুলো বছর আমরা সঠিকভাবে ঈদ উদযাপন করতে পারিনি। একটা ভয়ের আবহ ছিল সারাদেশে। ফলে রাজনৈতিক কর্মীরা নানাভাবে নির্যাতিত ও হেনস্তা হয়েছেন। রাজনীতির নামে মাস্তানি এবং দুর্বৃত্তায়ন জেঁকে বসেছে সারা বাংলাদেশে। এখন একটি নির্বাচিত বিএনপি সরকার তিন মাস ধরে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছে। আশা করি, সেই ভয়ের আবহ অনেকটা কেটে গিয়েছে। তাই আশা করি, এবারের ঈদ জনগণের জন্য স্বস্তির ঈদ হবে।
এ সময় ভোলার জেলা প্রশাসক ডা. শামীম রহমান, জেলা পরিষদের প্রশাসক আলহাজ গোলাম নবী আলমগীর, পুলিশ সুপার মো. শহিদুল্লাহ কাওছারসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।








