সংস্কার কাজের অর্থ দেখানো হল তসরুপ

কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশের (কেআইবি) হিসাব বিভাগের ব্যবস্থাপক দিলিপ কুমার সরকারের বিরুদ্ধে নিয়মবহির্ভূতভাবে ৪ লাখ টাকা তাহমিদ রিজভীকে প্রদানের দাবি তুলে কেআইবির প্রশাসক কৃষিবিদ মো. আজিজুল ইসলাম তাকে শোকজ নোটিশ দেয়। এরপরই বিষয়টি সামনে এলে এ নিয়ে বিবৃতি দেয় অ্যাগ্রিকালচারিস্টস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (এ্যাব)।
বিজ্ঞাপন
এগ্রিকাচারিস্টস' এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (এ্যাব) কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য (দপ্তরের দায়িত্বে) প্রফেসর ড. মোহাম্মদ জামশেদ আলম জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আগমন উপলক্ষে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনের সাজসজ্জা ও সংস্কার কাজের জন্য যেসব কৃষিবিদদের ওপর আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছিল, তাঁরা সম্পূর্ণ নিয়ম মেনে এবং যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই উক্ত অর্থ ব্যয় করেছেন। অসৎ উদ্দেশ্যে এ্যাবের নেতৃবৃন্দকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার লক্ষ্যে কেআইবির হিসাব বিভাগের সহকারী ব্যবস্থাপক দিলিপ কুমার সরকারকে নানামুখী চাপ ও ভয়ভীতি দেখিয়ে গোপনে একটি ভিডিও ধারণ করে। পরবর্তীতে তা উদ্দেশ্যমূলকভাবে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচার করে। মূলত সংস্কার কাজের অর্থকে ভুলভাবে উপস্থাপন করে অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করার চেষ্টা করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, রহস্য উন্মোচিত হয় যখন দিলিপ কুমার সরকার নিজেই পুরো বিষয়টি একটি সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র উল্লেখ করে আমাদের অবহিত করেন। পরবর্তীতে ফেসবুকে প্রচারিত অন্য একটি ভিডিও বার্তায় তিনি স্পষ্টভাবে স্বীকার করেছেন যে, তাঁকে কেউ কোনো প্রকার ভয়ভীতি দেখায়নি। মূলত কেআইবি ভবনের সংস্কার কাজের বকেয়া বিল হিসেবেই তিনি উক্ত ৪ লাখ টাকা যথাযথ নিয়ম মেনে প্রদান করেছিলেন। এই বিষয়টি নিয়ে পরবর্তীতে সিনিয়র কৃষিবিদরা উভয় পক্ষকে নিয়ে বসেন এবং বিস্তারিত আলোচনার মাধ্যমে এটি যে একটি সাজানো ভুল বোঝাবুঝি ছিল, তা সুনির্দিষ্টভাবে প্রমাণিত হয়।
বিজ্ঞাপন
এগ্রিকাচারিস্টস' এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের দাবি, একটি মীমাংসিত ও পুরনো ইস্যুকে কেন্দ্র করে অসত্য তথ্য দিয়ে নতুন করে বিভ্রান্তি প্রকাশ হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে নিয়োগপ্রাপ্ত কেআইবির তৎকালীন প্রশাসক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. আব্দুর রব খানের নানাবিধ অনিয়ম, দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার বিরুদ্ধে এ্যাবসহ সাধারণ কৃষিবিদরা দীর্ঘদিন ধরে নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলন করে আসছিলেন।
সাধারণ কৃষিবিদদের তীব্র আন্দোলনের মুখেই একপর্যায়ে সরকার দুর্নীতিগ্রস্ত প্রশাসককে অপসারণ করতে বাধ্য হয়। কিন্তু আন্দোলন দমানো এবং নিজের দুর্নীতি আড়াল করার অপকৌশল হিসেবে তৎকালীন বিতর্কিত প্রশাসক সাধারণ ও নির্দোষ কৃষিবিদদের নামে একটি ভিত্তিহীন মামলা দায়ের করেছিলেন।








