Logo

গণতন্ত্রের প্রতিটি আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়: প্রধানমন্ত্রী

profile picture
নিজস্ব প্রতিবেদক
৩০ জুন, ২০২৬, ২০:১৪
গণতন্ত্রের প্রতিটি আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়: প্রধানমন্ত্রী
ছবি: সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থান পর্যন্ত দেশের প্রতিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা গুরুত্বপূর্ণ নেতৃত্ব দিয়েছেন। বহু ত্যাগ ও রক্তের বিনিময়ে দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে, এখন সেই গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করার সময় এসেছে।

বিজ্ঞাপন

আগামী ১ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে মঙ্গলবার (৩০ জুন) দেওয়া এক বাণীতে তিনি এসব কথা বলেন।

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘প্রাচ্যের অক্সফোর্ড’ খ্যাত উপমহাদেশের অন্যতম প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী দেশের জন্য গৌরবের বিষয়। এ উপলক্ষে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক, সাবেক ও বর্তমান সদস্যসহ পুরো বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, ১৯২১ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় উচ্চশিক্ষা, জ্ঞানচর্চা ও গবেষণায় অগ্রণী ভূমিকা রেখে আসছে। ভাষা আন্দোলন, মহান মুক্তিযুদ্ধ, নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের ফ্যাসিবাদবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনসহ বিভিন্ন ঐতিহাসিক সংগ্রামে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা নেতৃত্ব দিয়েছেন।

এসব আন্দোলনে বহু মেধাবী শিক্ষার্থী জীবন উৎসর্গ করেছেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে এবারের বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের প্রতিপাদ্য ‘গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও উচ্চশিক্ষায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়’কে সময়োপযোগী বলে অভিহিত করেন।

চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও অটোমেশনের যুগে উচ্চশিক্ষার পাঠ্যক্রম আধুনিকায়নের বিকল্প নেই। ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে শিক্ষা ব্যবস্থায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, প্রোগ্রামিং, ন্যানোটেকনোলজিসহ আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিষয় অন্তর্ভুক্ত করে প্রায়োগিক দক্ষতার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।

বিজ্ঞাপন

তিনি আরও বলেন, মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে শিক্ষক নিয়োগ নিশ্চিত করার পাশাপাশি গবেষণার পরিবেশ আরও শক্তিশালী করতে হবে। দেশ-বিদেশে প্রতিষ্ঠিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যালামনাইদের শিক্ষা, গবেষণা ও উদ্ভাবনী কার্যক্রমে আরও সক্রিয়ভাবে যুক্ত হওয়ার আহ্বানও জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক কর্মবাজারে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে শিক্ষার্থীদের বাংলা ও ইংরেজির পাশাপাশি তৃতীয় একটি ভাষায় দক্ষতা অর্জন করতে হবে। প্রযুক্তিগত জ্ঞানের পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষার প্রতিও গুরুত্ব দিতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয় থেকেই তরুণদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে পারলে তারা শুধু চাকরি খুঁজবে না, বরং নতুন কর্মসংস্থানও সৃষ্টি করবে। এ ক্ষেত্রে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ঐতিহাসিক ভূমিকা রাখতে সক্ষম বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বিজ্ঞাপন

সূত্র: বাসস

জেবি/জেএইচআর

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD