৭৬৫ দিন পর বাংলাদেশিদের জন্য খুলল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক মালয়েশিয়া সফরের পর বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য দেশটির শ্রমবাজার আবারও উন্মুক্ত হয়েছে। আগামী এক থেকে দুই মাসের মধ্যে কোনো অতিরিক্ত খরচ ছাড়াই কর্মী পাঠানোর কার্যক্রম শুরু করা যাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছে সরকার।
বিজ্ঞাপন
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে শ্রমবাজার খুলে দেওয়ার ঘোষণা আসে।
তবে এবার মালয়েশিয়া নয়, বাংলাদেশই রিক্রুটিং এজেন্সি নির্বাচন করবে। তাই সিন্ডিকেট ও দুর্নীতি এড়াতে সরকার ও এজেন্সিগুলোর সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা।
বিশ্লেষকদের সতর্কবার্তা, স্বচ্ছতা নিশ্চিত না হলে আবারও জনশক্তি রপ্তানিতে ধাক্কা আসতে পারে।
বিজ্ঞাপন
অনিয়ম এবং দুর্নীতির অভিযোগে ২০০৮ সালে শ্রমবাজার বন্ধ হওয়ার পর ২০১৬ সালে আবার চালু হয়। পরে দুর্নীতির অভিযোগে ২০১৮ সালে বাংলাদেশ থেকে শ্রমিক নেওয়া আবারও বন্ধ করে মালয়েশিয়া।
এরপর আবার ২০২২ সালের আগস্ট থেকে আবার কর্মী যাওয়া শুরু হয়। তবে ২০২৪ সালের ১ জুন আবারও বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার বন্ধ হয়ে যায়। এরপর দুই দেশের মধ্যে বিভিন্ন শর্ত শিথিল নিয়ে আলোচনা চলতে থাকে।
এদিকে ২০২৪ সালে মালয়েশিয়ায় যেতে না পারা ৭ হাজার ৮৭৩ জন কর্মীকে পাঠানোর দায়িত্ব সরকারি সংস্থা বোয়েসেলকে দেওয়া হয়েছে। এখন পর্যন্ত তাদের মধ্যে প্রায় ৩ হাজার কর্মী মালয়েশিয়ায় যেতে পেরেছেন। বাকি কর্মীদের বিষয়েও দ্রুত পৃথক সিদ্ধান্ত নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
বিজ্ঞাপন
সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মালয়েশিয়া সফরেও বাংলাদেশি কর্মীদের কর্মসংস্থানের বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পায়। দুই দেশের সরকারের উচ্চপর্যায়ের আলোচনার মাধ্যমে দীর্ঘদিনের আইনি জটিলতা নিরসনের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার আবারও চালুর ঘোষণা এলো, যা বৈদেশিক কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিয়েছে।








