শিক্ষক, দ্বৈত নাগরিক ও ঋণখেলাপিরা স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না

স্থানীয় সরকার নির্বাচন আরও স্বচ্ছ, সুষ্ঠু ও জবাবদিহিমূলক করতে একাধিক আইন সংশোধনের প্রস্তাব চূড়ান্ত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। প্রস্তাবিত সংশোধনীতে এমপিওভুক্ত শিক্ষক, দ্বৈত নাগরিক, ঋণখেলাপি ও বিলখেলাপিদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার অযোগ্য করার সুপারিশ করা হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
এছাড়া আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি সশস্ত্র বাহিনীকে সংশ্লিষ্ট বিধানে অন্তর্ভুক্ত করা এবং লাভজনক পদে থাকা ব্যক্তিদের নির্বাচনে অংশগ্রহণে নিষেধাজ্ঞার প্রস্তাবও রাখা হয়েছে। নির্বাচন কমিশন শিগগিরই এসব সুপারিশ স্থানীয় সরকার বিভাগে পাঠাবে।
মঙ্গলবার নির্বাচন কমিশনের ১২তম সভা শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে অন্য চার নির্বাচন কমিশনার, সিনিয়র সচিবসহ কমিশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বিজ্ঞাপন
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
আখতার আহমেদ বলেন, বর্তমানে সব আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সংশ্লিষ্ট আইনে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। কমিশনের মত হলো, এ বিষয়ে সব আইনে সমন্বয় আনা প্রয়োজন। একই সঙ্গে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ না রাখার বিষয়ে কমিশন নীতিগতভাবে একমত হয়েছে।
তিনি আরও জানান, শুধু মূল ঋণগ্রহীতা নয়, কোনো ঋণের জামিনদারও ঋণখেলাপি হলে তাকে প্রার্থী হিসেবে অযোগ্য ঘোষণার প্রস্তাবে কমিশন নীতিগত সম্মতি দিয়েছে।
বিজ্ঞাপন
ইসি সচিব বলেন, বিদ্যুৎ, ওয়াসা, ভূমি করসহ বিভিন্ন সেবা সংস্থার বিল বকেয়া থাকলেও তা প্রার্থিতা বাতিলের কারণ হতে পারে। এ ক্ষেত্রে ব্যক্তি নিজে বা তার প্রতিষ্ঠানের নামে বিল বকেয়া থাকলেও সেটি অযোগ্যতার আওতায় আসবে।
এছাড়া লাভজনক পদে কর্মরত ব্যক্তিদের নির্বাচন করার সুযোগ না রাখা এবং দ্বৈত নাগরিকদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ সীমিত করারও প্রস্তাব করা হয়েছে। এ বিষয়ে সংবিধানের বিদ্যমান বিধানও বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
ইসি সচিব বলেন, আইন সংশোধনের প্রস্তাবগুলো খুব শিগগিরই স্থানীয় সরকার বিভাগে পাঠানো হবে। এরপর সংশ্লিষ্ট বিভাগ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।








