তেলের দাম বাড়ানো ছাড়া বিকল্প ছিল না: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান ভূরাজনৈতিক সংকটের প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় সরকার বাধ্য হয়ে দেশের বাজারে তেলের দাম সমন্বয় করেছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।
বিজ্ঞাপন
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিপুল পরিমাণ ভর্তুকির চাপ সামলাতে গিয়ে শুধু জ্বালানি খাতেই সরকারকে প্রতি মাসে প্রায় ১৩ কোটি টাকা লোকসান বহন করতে হচ্ছিল। আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির পরিস্থিতিতে দেশীয় বাজারে দাম সমন্বয় করা ছাড়া সরকারের সামনে আর কোনো বিকল্প ছিল না।
ভর্তুকির পরিমাণ তুলে ধরে অনিন্দ্য ইসলাম অমিত জানান, শুধু ডিজেলের ক্ষেত্রেই প্রতি লিটারে সরকারকে সর্বোচ্চ ৯০ টাকা পর্যন্ত ভর্তুকি দিতে হচ্ছিল। এর ফলে বছরে বড় ধরনের বাজেট ঘাটতির চাপ তৈরি হচ্ছিল। শুধু ডিজেলেই বছরে ভর্তুকির পরিমাণ প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকা। আর সব ধরনের জ্বালানি মিলিয়ে এক বছরে সরকারের লোকসানের পরিমাণ প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকা।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
তিনি বলেন, দেশের অর্থনীতি এবং জ্বালানি খাতের ভারসাম্য বজায় রাখার স্বার্থেই অনিচ্ছা সত্ত্বেও তেলের দাম বাড়ানোর কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে সরকারকে।








