দুর্গাপূজায় অনুদানও বাড়াচ্ছে সরকার

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে অনুদানের পরিমাণ বাড়ানোর পাশাপাশি ২২ অক্টোবর অতিরিক্ত সরকারি ছুটি দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দুর্গাপূজার জন্য হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের চাওয়া চার কোটি টাকার বিপরীতে পাঁচ কোটি টাকা বরাদ্দের সিদ্ধান্ত হয়েছে। একইভাবে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের কঠিন চীবর দান অনুষ্ঠানে দুই কোটি টাকার পরিবর্তে তিন কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
সরকারের ২০২৬ সালের নির্ধারিত ছুটির তালিকায় দুর্গাপূজার মহানবমী ২০ অক্টোবর এবং বিজয়া দশমী ২১ অক্টোবর ছুটি রয়েছে। ২২ অক্টোবর ছুটি কার্যকর হলে ২৩ ও ২৪ অক্টোবরের সাপ্তাহিক ছুটিসহ সরকারি চাকরিজীবীরা টানা পাঁচ দিনের অবকাশ পাবেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, দুর্গাপূজার অনুদান হিসেবে হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট চার কোটি টাকা চেয়েছিল। তবে বিশেষ বিবেচনায় বরাদ্দ এক কোটি টাকা বাড়িয়ে পাঁচ কোটি টাকা করা হয়েছে।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের পক্ষ থেকেও কঠিন চীবর দান অনুষ্ঠানের জন্য দুই কোটি টাকা চাওয়া হয়েছিল। এ খাতে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে তিন কোটি টাকা। গত ২৫ সেপ্টেম্বর বৌদ্ধদের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব শুভ প্রবারণা পূর্ণিমা পালিত হয়েছে।
এদিকে, ২২ অক্টোবর অতিরিক্ত ছুটির বিষয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় উপস্থাপনের কথা জানানো হয়েছে। অর্থাৎ দিনটি সরকারি ছুটি হিসেবে কার্যকর করতে আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত ও প্রজ্ঞাপন প্রয়োজন।
বিজ্ঞাপন
বর্তমান সরকারি ছুটির তালিকা অনুযায়ী ২০ অক্টোবর মঙ্গলবার মহানবমী উপলক্ষে নির্বাহী আদেশে এবং ২১ অক্টোবর বুধবার বিজয়া দশমী উপলক্ষে সাধারণ ছুটি রয়েছে। ২২ অক্টোবর বৃহস্পতিবার কর্মদিবস হিসেবে নির্ধারিত ছিল।
অতিরিক্ত ছুটি ঘোষণা হলে ২০ ও ২১ অক্টোবরের সরকারি ছুটির পর ২২ অক্টোবরের ছুটি এবং ২৩-২৪ অক্টোবরের সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে টানা পাঁচ দিনের বিরতি তৈরি হবে।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
সরকারি ছুটির দিনে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম সাধারণত বন্ধ থাকে। তবে এটিএম, কার্ড ও অনলাইন ব্যাংকিংয়ের মতো ডিজিটাল সেবা চালু থাকতে পারে। হাসপাতাল, পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস, বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানি সরবরাহের মতো জরুরি সেবায় নিয়োজিতদের স্বাভাবিকভাবেই দায়িত্ব পালন করতে হবে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ও নৃগোষ্ঠীবিষয়ক বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার বলেছেন, এক দিন ছুটি বাড়ানোর ফলে সাপ্তাহিক ছুটিসহ পাঁচ দিনের অবকাশ তৈরি হবে। পাশাপাশি চাহিদার চেয়ে বেশি অনুদান দেওয়ার মাধ্যমে বিভিন্ন ধর্মীয় সম্প্রদায়ের উৎসবকে গুরুত্ব দেওয়ার বিষয়টিও প্রতিফলিত হয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।








