Logo

পানির ন্যায্য হিস্যা দিয়েই ভারতকে বন্ধুত্বের প্রমাণ দিতে হবে

profile picture
জেলা প্রতিনিধি
পঞ্চগড়
১১ অক্টোবর, ২০২৬, ১৬:৫৪
পানির ন্যায্য হিস্যা দিয়েই ভারতকে বন্ধুত্বের প্রমাণ দিতে হবে
ছবি: সংগৃহীত

ফারাক্কা চুক্তি নবায়ন এবং অভিন্ন নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত করার মাধ্যমে ভারতকে বন্ধুত্বের প্রমাণ দিতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ। তিনি বলেন, দুই দেশের জনগণের মধ্যে সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করতে পানির ন্যায্য বণ্টন নিশ্চিত করা জরুরি।

বিজ্ঞাপন

রবিবার (১১ অক্টোবর) সকালে পঞ্চগড় সদর উপজেলার মীরগড় এলাকায় দ্বিতীয় করতোয়া সেতু পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি।

পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জানান, আগামী ১২ ডিসেম্বর ফারাক্কা চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। চুক্তি নবায়নের বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে পানিসম্পদ ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বে প্রতিবেশী ভারতের সঙ্গে বিভিন্ন পর্যায়ে যোগাযোগ করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে কলকাতায় এ বিষয়ে কারিগরি কমিটির একটি বৈঠকও অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, ১৯৭৭ সালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময় স্বাক্ষরিত চুক্তিতে পানির নিশ্চয়তা-সংক্রান্ত যে গ্যারান্টি ক্লজ ছিল, সেটিকে গুরুত্ব দিয়ে ফারাক্কা চুক্তি নবায়ন ও কার্যকর করা প্রয়োজন।

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

তিনি আরও বলেন, বিগত ১৭ বছরে একপাক্ষিক সমর্থনের কারণে দুই দেশের জনগণের সম্পর্ক নিয়ে যেসব প্রশ্ন তৈরি হয়েছিল, পানির ন্যায্য বণ্টন নিশ্চিত করার মাধ্যমেই ভারত বন্ধুত্বের প্রকৃত প্রমাণ দিতে পারে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, শুধু ফারাক্কা নয়, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে প্রবাহিত অভিন্ন ৫৪টি নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি এসব নদীর নাব্যতা ফিরিয়ে আনতেও ভারতের ইতিবাচক ভূমিকা প্রত্যাশা করেন তিনি।

দ্বিতীয় করতোয়া সেতু পরিদর্শনের সময় পঞ্চগড় সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জাকির হোসেন, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক জাহিরুল ইসলাম কাচ্চু, জেলা যুবদলের সভাপতি ফেরদৌস ওয়াহিদ রাসেল, সাধারণ সম্পাদক নুরুজ্জামান বাবুসহ সড়ক বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

জেবি/জেএইচআর

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD