জলবায়ু সহনশীল অবকাঠামো উন্নয়নে ই-লার্নিং কনটেন্ট তৈরির উদ্যোগ

জলবায়ু সহনশীল অবকাঠামো নির্মাণে দক্ষ জনবল গড়ে তোলা এবং স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) কর্মকর্তাদের সক্ষমতা বাড়ানোর লক্ষ্যে ই-লার্নিং কনটেন্ট উন্নয়নবিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
রবিবার (১১ অক্টোবর) এলজিইডি সদর দপ্তরের চতুর্থ তলার সেমিনার কক্ষে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। এলজিইডির অধীনে বাস্তবায়নাধীন ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্ট ইনফ্রাস্ট্রাকচার মেইনস্ট্রিমিং প্রজেক্টের (ক্রিম্প) আওতায় ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্ট লোকাল ইনফ্রাস্ট্রাকচার সেন্টার (ক্রিলিক) কর্মশালাটি আয়োজন করে। ‘কনসালটেন্সি সার্ভিসেস ফর ই-লার্নিং কনটেন্ট ডেভেলপমেন্ট’ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এতে কনটেন্টের সামগ্রিক পরিকল্পনা ও উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা হয়।
কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন এলজিইডির অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী আবুল বাছেদ মোহাম্মদ রেজাউল বারী। উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি বলেন, “জলবায়ু সহনশীল অবকাঠামো নির্মাণে দক্ষ জনবল তৈরিতে ই-লার্নিং কনটেন্ট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। মানসম্পন্ন ও ব্যবহারবান্ধব কনটেন্ট তৈরিতে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।”
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এলজিইডির অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী ও ক্রিলিকের পরিচালক সালমা শহীদ। সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, “ই-লার্নিং কনটেন্টের মাধ্যমে এলজিইডির কর্মকর্তাদের সক্ষমতা বৃদ্ধি সহজ হবে। কনটেন্ট বাস্তবসম্মত ও ব্যবহারবান্ধব করতে সবার মতামত ও সহযোগিতা প্রয়োজন।”
বিজ্ঞাপন
অংশগ্রহণকারীদের মতামত ও পরামর্শের ভিত্তিতে কনটেন্টকে আরও কার্যকর, বাস্তবসম্মত ও টেকসই করে গড়ে তোলাই ছিল কর্মশালার মূল উদ্দেশ্য।
ই-লার্নিং কনটেন্টের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা উপস্থাপন
এই কার্যক্রমের জন্য নিয়োগপ্রাপ্ত পরামর্শক প্রতিষ্ঠান অ্যাডি সফট লিমিটেডের পক্ষে কনটেন্ট ডেভেলপার ইমরান হোসেন কনটেন্টের নকশা ও উন্নয়ন নিয়ে ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন।
বিজ্ঞাপন
এ সময় প্রতিষ্ঠানটির ডিরেক্টর বিজনেস ডেভেলপমেন্ট কে এম আবদুল্লাহ আল-মুরাদ, টিমলিড মো. ছাবেদ আলম এবং এজিএম মো. শরিফুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
কর্মশালায় আরও অংশ নেন এলজিইডির অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী কাজী সাইফুল কবীর, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী, বিভিন্ন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক, নির্বাহী প্রকৌশলী এবং জ্যেষ্ঠ সহকারী প্রকৌশলীরা।
কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের মতামত ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে মানসম্মত ই-লার্নিং কনটেন্ট তৈরি এবং জলবায়ু সহনশীল অবকাঠামো উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দক্ষতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।








