সামরিক সম্পর্ক আরও জোরদারে বাংলাদেশ-ইতালি বৈঠক

বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়ন, সামরিক প্রশিক্ষণ ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয়ে আলোচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও আলেসান্দ্রো। বৈঠকে আধুনিক সামরিক সরঞ্জাম ও প্রতিরক্ষাসামগ্রী সংগ্রহের সম্ভাবনা নিয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়।
বিজ্ঞাপন
রবিবার (১৮ অক্টোবর) ঢাকা সেনানিবাসে অবস্থিত সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বৈঠকের বিষয়টি জানানো হয়েছে।
আইএসপিআর জানায়, আলোচনায় বাংলাদেশ ও ইতালির দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিভিন্ন দিক উঠে আসে। পাশাপাশি দুই দেশের সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে বিদ্যমান সহযোগিতাকে আরও শক্তিশালী ও বিস্তৃত করার বিষয়ে উভয় পক্ষ নিজেদের আগ্রহের কথা তুলে ধরে।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
বৈঠকে প্রতিরক্ষা খাতে সক্ষমতা বাড়ানো, সামরিক প্রশিক্ষণ, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং কারিগরি ও প্রযুক্তিগত সহায়তার বিষয়গুলো বিশেষ গুরুত্ব পায়। এ ছাড়া বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়নের জন্য উন্নত সামরিক সরঞ্জাম ও প্রতিরক্ষাসামগ্রী সংগ্রহে সম্ভাব্য সহযোগিতার ক্ষেত্র নিয়েও আলোচনা করেন তারা।
জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশ ও ইতালির ভূমিকা এবং ভবিষ্যতে এ ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়টিও আলোচনায় স্থান পায়। একই সঙ্গে দুই দেশের সামরিক সদস্যদের মধ্যে যৌথ প্রশিক্ষণের সম্ভাবনা নিয়ে মতবিনিময় করেন প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ও ইতালির রাষ্ট্রদূত।
বিজ্ঞাপন
এ সময় প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম বাংলাদেশ ও ইতালির ঐতিহাসিক বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা তুলে ধরেন। প্রতিরক্ষা শিল্পের বিকাশ এবং সশস্ত্র বাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ইতালি সরকারের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার ওপরও তিনি গুরুত্ব দেন।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
অন্যদিকে ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও আলেসান্দ্রো বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়নে ইতালির অংশীদারত্ব অব্যাহত রাখার আগ্রহ প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান পারস্পরিক সহযোগিতা আরও এগিয়ে নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, প্রতিরক্ষা খাতে নিয়মিত যোগাযোগ, উচ্চপর্যায়ের আলোচনা এবং প্রশিক্ষণ ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা সম্প্রসারণের মাধ্যমে বাংলাদেশ-ইতালি সামরিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে। পাশাপাশি এই উদ্যোগ দুই দেশের সামগ্রিক দ্বিপক্ষীয় অংশীদারত্বকে নতুন মাত্রা দিতে সহায়ক হতে পারে।








