খালের কুমির ১৭ বছর যন্ত্রণা দিয়ে এখন দিল্লিতে পালিয়েছে: গয়েশ্বর

খালের কুমির ১৭ বছর যন্ত্রণা দিয়ে এখন দিল্লিতে পালিয়েছে: গয়েশ্বর
বিজ্ঞাপন
বিএনপির ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সপ্তাহব্যাপী বৃক্ষরোপণ ও খাল পরিষ্কার কর্মসূচি উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।
খাল পরিষ্কার কার্যক্রমে নেতা-কর্মীদের সঙ্গে উপস্থিত হয়ে তিনি বলেন, “খাল খনন নিয়ে একসময় সমালোচনা হতো। তবে খাল খননের পেছনে ছিল মহৎ উদ্দেশ্য। খালের মধ্যে যে কুমিরটা ছিল, সেটা কেউ খেয়াল করেনি। সেই কুমিরটা ১৭ বছর মানুষকে যন্ত্রণা দিয়ে এখন দিল্লিতে পালিয়ে আছে। তাই খাল খেটে কুমির আনা যাবে না, বরং খাল কেটে স্বচ্ছ পানি আনতে হবে।”
বিজ্ঞাপন
এই কর্মসূচির উদ্বোধন মুগদার পূর্ব মানিকনগর বালুর মাঠসংলগ্ন এলাকায় অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে বিএনপির নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান নির্ধারিত সময় বেলা ১১টায় শুরু হওয়ার কথা থাকলেও শুরু হয় পৌনে ১টায়, এবং গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ১২টা ৫০ মিনিটে আসেন।
বিজ্ঞাপন
উদ্বোধনের পর হাতে নিড়ানি তুলে নিয়ে খাল পরিষ্কার কার্যক্রম শুরু করেন তিনি। বেলা সোয়া একটার দিকে খালের পাশে বৃক্ষরোপণও করেন। এরপর গয়েশ্বর চন্দ্র রায় অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করেন। পরে বালুর মাঠ ইউনিট বিএনপির সেক্রেটারি মেহেদী হাসানের নেতৃত্বে খাল পরিষ্কার কার্যক্রম চলমান রাখা হয়। স্থানীয় নেতা-কর্মী এবং সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতাকর্মীসহ অন্তত ৪০ জন এতে অংশ নেন।
বিজ্ঞাপন
গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, “আমরা সরকারে নেই। আপনারা অনেক দাবি করেন, কিন্তু আগে আমাদের সরকার পরিচালনার দায়িত্ব দিন, তারপর আপনারা যত দাবি চাইবেন করতে পারবেন। মাঝে মাঝে যে ঘটনা দেখেন, তা হলো ভোটের অধিকার যাতে না পান, ভোট দিতে না পারেন—তার জন্য ষড়যন্ত্র রয়েছে।”
বিজ্ঞাপন
অদৃশ্য শত্রুকে মোকাবিলার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, “চোখে দেখা যায় না এমন শত্রুকে মোকাবিলা করা কঠিন। চিহ্নিত শত্রুকে মোকাবিলা করা সহজ, কিন্তু অদৃশ্য শত্রু মোকাবিলা করা খুব কঠিন।”
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক রফিকুল আলম মজনু, এবং সঞ্চালনা করেন সদস্য সচিব তানভীর আহমেদ রবিন।
বিজ্ঞাপন
এসএ/








