পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় দুই নারীসহ চারজন কারাগারে

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে পর্নো ভিডিও ভিডিও ধারণ করে তা ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে দুই নারীসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। অভিযানের সময় ভিডিও ধারণে ব্যবহৃত মোবাইল ফোনসহ বিভিন্ন সরঞ্জামও জব্দ করা হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
শনিবার (১ আগস্ট) সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেন গোবিন্দগঞ্জ থানার তদন্ত শাখার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা। তিনি জানান, একই দিন বিকেলে আদালতের মাধ্যমে গ্রেপ্তার চারজনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
ওসি বলেন, অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরে পর্নোগ্রাফি ভিডিও তৈরি করে ইন্টারনেটে ছড়িয়ে বাণিজ্যিকভাবে লাভবান হয়ে আসছিলেন। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে দুই নারীসহ চারজনকে হাতেনাতে আটক করা হয়। তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়া পলাতক আসামি এবং এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—পলাশবাড়ী উপজেলার মধ্য রামচন্দ্রপুর গ্রামের আশিদুল ইসলাম ওরফে রাশিদুলের মেয়ে মামুনী আক্তার (২৪), গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার অভিরামপুর হাজীপাড়ার খোরশেদ আলমের ছেলে রাকিবুল হাসান রাকিব (৩০), সাদুল্লাপুর উপজেলার নিশ্চিন্তপুর এলাকার সাইফুল ইসলামের স্ত্রী রেজেনা খাতুন সাথী (২৮) এবং সুন্দরগঞ্জ উপজেলার চণ্ডিপুর গ্রামের লুৎফর রহমানের ছেলে মামুন অর রশিদ (৩০)।
বিজ্ঞাপন
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরে গোবিন্দগঞ্জ পৌর এলাকার হীরকপাড়ায় একটি বাসা ভাড়া নিয়ে এ ধরনের অসামাজিক ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছিলেন। শুক্রবার দিবাগত রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ ওই বাসায় অভিযান চালায়। এ সময় ভিডিও ধারণের বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয় এবং দুই নারী ও দুই পুরুষসহ চারজনকে হাতেনাতে আটক করা হয়। তবে অভিযানের সময় একজন পালিয়ে যেতে সক্ষম হন।
পরে এ ঘটনায় পলাতক একজনসহ মোট পাঁচজনের বিরুদ্ধে গোবিন্দগঞ্জ থানায় পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়। ওই মামলায় গ্রেপ্তার চারজনকে আসামি দেখিয়ে শনিবার বিকেলে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তার এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্তে তদন্ত ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।








