Logo

যাত্রাবাড়ী থানার সামনে ককটেল বিস্ফোরণ, গ্রেপ্তার ৪

profile picture
নিজস্ব প্রতিবেদক
২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১৪:২৯
যাত্রাবাড়ী থানার সামনে ককটেল বিস্ফোরণ, গ্রেপ্তার ৪
ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানার সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে লালবাগের একটি ভবনের পার্কিং থেকে চারটি অবিস্ফোরিত ককটেল উদ্ধার করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টা ১৫ মিনিটে মিন্টো রোডে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ডিবির ওয়ারী বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মোল্লা মো. শাহীন।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন মো. রায়হান উদ্দিন (৩৫), রাসেল খান (৩২), আলাউদ্দিন (২৮) ও আবদুল্লাহ (২৮)।

ডিবি জানায়, গত ১৮ সেপ্টেম্বর রাত ৮টার দিকে যাত্রাবাড়ী থানার সামনে একাধিক ককটেল বিস্ফোরণ ঘটে। এতে ইবাদুর রহমান (২৬) নামে এক অটোরিকশাচালক আহত হন। এ ঘটনায় যাত্রাবাড়ী থানায় মামলা করা হয়।

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

মামলার তদন্তে ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে একজনকে শনাক্ত করা হয়। পরে শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর বংশাল এলাকা থেকে রায়হান উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ডিবির ভাষ্য অনুযায়ী, রায়হানের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে শনিবার রাত ১২টা ১৫ মিনিটের দিকে লালবাগের ২৫৮ জেন সাহা রোডের একটি ১০ তলা ভবনের নিচতলার পার্কিং থেকে চারটি অবিস্ফোরিত ককটেল উদ্ধার করা হয়। ইটের খোয়ার বস্তার ভেতরে একটি ব্যাগে লাল কাপড়ের টেপ দিয়ে মোড়ানো অবস্থায় ককটেলগুলো রাখা ছিল। পরে ডিএমপির বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট সেগুলো নিষ্ক্রিয় করে।

পরে রায়হানকে জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ডেমরার ডগাইর এলাকা থেকে রাসেল খান, আলাউদ্দিন ও আবদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করা হয়।

বিজ্ঞাপন

ডিবির ওয়ারী বিভাগের ডিসি মোল্লা মো. শাহীন বলেন, গ্রেপ্তার চারজনই কার্যক্রম নিষিদ্ধ একটি রাজনৈতিক সংগঠনের সক্রিয় সদস্য বলে প্রাথমিকভাবে তথ্য পাওয়া গেছে। ডিবির দাবি, রায়হান ওই সংগঠনের ঢাকা দক্ষিণের বংশাল থানার ৩২ নম্বর ওয়ার্ডের ৬ নম্বর ইউনিটের দপ্তর সম্পাদক।

ডিবি আরও জানায়, গত বছর মতিঝিল থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা একটি মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে রায়হান পাঁচ মাস কারাগারে ছিলেন। সম্প্রতি জামিনে বের হয়ে আবারও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়ানোর অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

ডিবির পক্ষ থেকে বলা হয়, জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় গত দুই থেকে তিন দিনে ঘটে যাওয়া একই ধরনের ঘটনার সঙ্গে এই ঘটনার কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা-ও তদন্ত করা হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

গ্রেপ্তারদের রিমান্ডে নিয়ে ঘটনার পেছনের কারণ এবং এর সঙ্গে আরও কারা জড়িত, তা জানার চেষ্টা করা হবে বলে জানিয়েছে ডিবি।

পলাতক রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে গ্রেপ্তারদের যোগাযোগ ছিল কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে ডিসি মোল্লা মো. শাহীন বলেন, তাদের মোবাইল ফোনে যোগাযোগের তথ্য পাওয়া গেছে। এসব তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদের পর এ বিষয়ে আরও বিস্তারিত জানা যাবে।

জেবি/এএস

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD