ওবায়দুল কাদেরের অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর ভারতে পালিয়ে যাওয়া কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের শারীরিক অবস্থা সংকটজনক। তাকে ভারতের কলকাতার অ্যাপোলো হাসপাতালে ভেন্টিলেশনে রাখা হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
বার্ধক্যজনিত একাধিক শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন ওবায়দুল কাদের। দীর্ঘদিন ধরেই তিনি শয্যাশায়ী ছিলেন এবং কলকাতার নিউ টাউনে অবস্থানকালে বাসায় অক্সিজেন সাপোর্টে ছিলেন বলে জানা গেছে।
বিশ্বস্ত সূত্র জানায়, গত শুক্রবার (২ জানুয়ারি) হঠাৎ তার শারীরিক অবস্থার মারাত্মক অবনতি ঘটে। প্রায় সংজ্ঞাহীন অবস্থায় তাকে কলকাতার বাইপাস সংলগ্ন অ্যাপোলো হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে ভর্তি করার পরপরই তাকে ভেন্টিলেশনে রাখা হয়। হাসপাতাল সূত্র জানিয়েছে, চিকিৎসায় তিনি সাড়া দিচ্ছেন, তবে তার অবস্থা এখনো আশঙ্কাজনক।
বিজ্ঞাপন
গত জুনে বিবিসি বাংলার সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে ওবায়দুল কাদের জানান, তিনি এখনো কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। তিনি ভারতের কলকাতায় অবস্থান করছেন বলেও সে সময় উল্লেখ করেন।
তিনি জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগের পতনের পর তিন মাস বাসা বদল করে আত্নগোপনে ছিলেন; শেষ পর্যন্ত তিন মাস পর ২০২৪ সালের নভেম্বরে তিনি দেশ ছেড়েছেন।
বিজ্ঞাপন
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগের দমননীতির জন্য ক্ষমা চাওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তারা যখন দেশে এসে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চালানোর পরিবেশ পাবেন, তখন ক্ষমা চাওয়া, ভুল স্বীকার করা বা অনুশোচনার বিষয় আসবে।
২০১৬ সালের অক্টোবর থেকে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন ওবায়দুল কাদের। ২০১১ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২৪-এর আগস্ট পর্যন্ত আওয়ামী লীগ সরকারের সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন তিনি। আওয়ামী লীগের এই প্রভাবশালী নেতা নোয়াখালী-৫ আসন থেকে টানা চারবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।








