জুলাই চেতনায় বহুদলীয় গণতন্ত্র সুপ্রতিষ্ঠিত করতে হবে: রিজভী

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, জুলাই ছিল দীর্ঘদিনের সঞ্চিত ক্ষোভের চূড়ান্ত বহিঃপ্রকাশ। জুলাইয়ের চেতনাকে ধারণ করে দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র সুপ্রতিষ্ঠিত করতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে কোনো ধরনের ফ্যাসিবাদ আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে না পারে।
বিজ্ঞাপন
রবিবার (১৬ আগস্ট) সকালে গাজীপুরে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট হলে ‘জুলাইয়ের চেতনা ও আগামীর বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এ আলোচনা সভার আয়োজন করে।
রুহুল কবির রিজভী বলেন, জুলাইয়ের আন্দোলন ছিল দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা মানুষের ক্ষোভ ও প্রত্যাশার চূড়ান্ত বহিঃপ্রকাশ। এই আন্দোলনের চেতনাকে শুধু স্মরণ করলেই হবে না, বরং রাষ্ট্র ও রাজনৈতিক ব্যবস্থায় এর মূল্যবোধ বাস্তবায়ন করতে হবে।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
তিনি বলেন, বহুদলীয় গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করার মাধ্যমে এমন একটি রাজনৈতিক পরিবেশ তৈরি করতে হবে, যেখানে ভবিষ্যতে কোনো স্বৈরাচারী বা ফ্যাসিবাদী শক্তি রাষ্ট্রক্ষমতা কুক্ষিগত করতে না পারে।
বিজ্ঞাপন
রিজভী বলেন, ফ্যাসিবাদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অনেক ব্যক্তি ও শক্তি এখনো সক্রিয় রয়েছে। তারা বিপুল অর্থ ব্যয় করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
ইতিহাসের প্রসঙ্গ তুলে ধরে রিজভী বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারণা চালিয়ে কোনো পতিত স্বৈরাচারের প্রত্যাবর্তন সম্ভব নয়।
অনুষ্ঠানে বক্তারা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের রাজনৈতিক ও সামাজিক তাৎপর্য তুলে ধরেন। একই সঙ্গে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা এবং বহুদলীয় রাজনৈতিক ব্যবস্থাকে আরও সুসংহত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তারা।
বিজ্ঞাপন
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. এ এস এম আমানুল্লাহর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ও প্রফেসর লুৎফর রহমান।
অনুষ্ঠানে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমের সংবাদকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।








