Logo

শান্ত কুষ্টিয়াকে অশান্ত করতেই এ হামলা চালিয়েছে: আমির হামজা

profile picture
জেলা প্রতিনিধি
কুষ্টিয়া
১৬ আগস্ট, ২০২৬, ১৬:৫৮
শান্ত কুষ্টিয়াকে অশান্ত করতেই এ হামলা চালিয়েছে: আমির হামজা
ছবি: সংগৃহীত

কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য আমির হামজা অভিযোগ করেছেন, শান্ত কুষ্টিয়াকে অশান্ত করতেই পূর্বপরিকল্পিতভাবে তার ওপর হামলা চালানো হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত গণ অধিকার পরিষদের ‘চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের’ আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়ে প্রশাসনকে সময়সীমা দিয়েছেন তিনি।

বিজ্ঞাপন

রবিবার (১৬ আগস্ট) দুপুর ১২টার দিকে কুষ্টিয়া শহরের মোল্লাতেঘরিয়া এলাকায় জেলা জামায়াতের কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন আমির হামজা।

সংবাদ সম্মেলনে প্রশাসনের কাছে তিন দফা দাবি তুলে ধরেন সংসদ সদস্য আমির হামজা। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—হামলায় প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত গণ অধিকার পরিষদের চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার করতে হবে। সিসিটিভি ফুটেজ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষ্যের ভিত্তিতে হামলার মূল পরিকল্পনাকারীদের শনাক্ত করে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে। পাশাপাশি স্থানীয় পুলিশ ও প্রশাসনকে রাজনৈতিক চাপমুক্ত হয়ে সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করতে হবে।

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আমির হামজা বলেন, ‘এই জেলার প্রশাসন নিষ্ক্রিয় এবং ব্যর্থ। এই জেলার যারা দায়িত্বে আছে, প্রশাসনে যে যেখানে দায়িত্বে আছে, সব ব্যর্থ। এদের দ্বারা নিরাপত্তা পাওয়ার কোনো সম্ভাবনা আমাদের নেই।’

আমির হামজার গাড়িতে হামলার ঘটনায় কুষ্টিয়া মডেল থানায় এজাহার জমা দেওয়া হয়েছে। আজ বেলা সোয়া ১১টার দিকে তার ব্যক্তিগত সহকারী মোমিন বিশ্বাস বাদী হয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন মাতুব্বরের কাছে এজাহারটি জমা দেন।

এজাহারে গণ অধিকার পরিষদের নেতা-কর্মীদের আসামি করা হয়েছে। এতে ২৩ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে আরও ৪০ থেকে ৫০ জনকে। কুষ্টিয়া মডেল থানার ওসি কবির হোসেন মাতুব্বর দুপুর ১২টার দিকে বলেন, তাঁরা এজাহার পেয়েছেন। মামলা রুজুর বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন।

বিজ্ঞাপন

হামলার সময় তার গাড়ি থেকে লাঠি বের করার বিষয়ে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে আমির হামজা বলেন, তার গাড়িতে সব সময় দুটি লাঠি রাখা থাকে। কারণ, এখনো সরকারি অস্ত্রের লাইসেন্স হয়নি এবং সরকারিভাবে কোনো বডিগার্ডও দেওয়া হয়নি বা তিনি নেননি।

নিজের নিরাপত্তার জন্যই গাড়িতে লাঠি দুটি রাখা হয় বলে জানান তিনি। আমির হামজা বলেন, হামলার সময় তার চালক লাঠি হাতে গাড়ি থেকে নেমে যান। পরে তিনি নিজেই গাড়ি চালিয়ে ঘটনাস্থল থেকে চলে যান।

জেবি/এসডি

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD