‘যারা নিজেরাই ভোট কেনে, তারা দুর্নীতির গল্প শোনায়’

বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র ও দলের চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেছেন, যারা নিজেরাই ভোট কিনে, তারাই আবার দুর্নীতির গল্প শোনায়। তিনি অভিযোগ করেছেন, ভোটারদের কাছে প্রচারণা চালাতে গিয়ে কিছু দলের নেতাকর্মীরা ধর্মীয় অনুভূতি, জান্নাতের প্রলোভন, কোরআন শরিফে শপথ এবং বিকাশ নম্বরে অর্থ দেওয়ার প্রস্তাব ব্যবহার করছে।
বিজ্ঞাপন
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) রাজধানীর গুলশান ৯০ নম্বর রোডে বিএনপির নির্বাচনী অফিসে এক সংবাদ সম্মেলনে মাহদী আমিন এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, “যারা নিজেরাই টাকা দিয়ে ভোটারদের ভোট কিনে, তারা যখন দুর্নীতির গল্প শোনায়, তখন তাদের তথাকথিত সততা প্রশ্নবিদ্ধ হয়।”
তিনি আরও বলেন, একটি নির্দিষ্ট দলের শীর্ষ পর্যায়ের নেতারা নতুন করে ফ্যাসিবাদী আমলের পুরোনো মিথ্যা ‘দুর্নীতির বিশ্বচ্যাম্পিয়ন’ বয়ান প্রচারের দায়িত্ব নিয়েছে। কিন্তু জাতীয়ভাবে প্রমাণিত হয়েছে যে, বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর থেকে দুর্নীতির হার ধারাবাহিকভাবে কমেছে।
বিজ্ঞাপন
মাহদী আমিনের কথায়, ২০০১ সালের অক্টোবরে বিএনপি যখন সরকার গঠন করেছিল, তখন একটি প্রতিষ্ঠানের সূচকে দেশের দুর্নীতির স্কোর ছিল ০.৪। পরবর্তীতে জিরো টলারেন্স নীতি ও সুশাসনের মাধ্যমে এই স্কোর ২০০৬ সালে ২.০-তে উন্নীত হয়। যে দল দীর্ঘদিন ধরে দুর্নীতি দমনে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছে, তাদের বিরুদ্ধে এই অপপ্রচার পরিকল্পিত।
তিনি বলেছেন, “অতীতেও ওই দলটি তখন সরকারের অংশ ছিল। দুইজন মন্ত্রী এবং কয়েকজন সংসদ সদস্য ছিলেন। সে সময় তারা কোনো মন্তব্য করেননি। এখন নির্বাচনী মাঠে এসে তারা একই ফ্যাসিবাদী প্রপাগাণ্ডা চালাচ্ছে। আমরা এটিকে রাজনৈতিক দ্বিচারিতা হিসেবে দেখছি।”
বিজ্ঞাপন
মাহদী আমিন উল্লেখ করেন, বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্বাচনী সফরে ময়মনসিংহ, গাজীপুর ও উত্তরা অঞ্চলে বিপুল জনসমাগমের মধ্য দিয়ে ধানের শীষের পক্ষে ঐতিহাসিক গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। গভীর রাত পর্যন্ত সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত ও উৎসবমুখর উপস্থিতি প্রমাণ করছে, তারেক রহমান আজ দেশের জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতীক।








