জামায়াতের ‘ক্ষমতার বলি’ বঙ্গভবনের সহকারী প্রোগ্রামার: রাকিব

জামায়াতে ইসলামীর আমিরের এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্ট হ্যাকের অভিযোগকে কেন্দ্র করে বঙ্গভবনের এক সহকারী প্রোগ্রামারকে বেআইনিভাবে আটক রাখা হয়েছে—এমন অভিযোগ তুলেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব। তিনি দাবি করেন, ওই কর্মকর্তা রাজনৈতিক ক্ষমতার অপব্যবহারের শিকার হয়েছেন।
বিজ্ঞাপন
বৃহস্পতিবার দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে ছাত্রদল সভাপতি জানান, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে সংশ্লিষ্ট সহকারী প্রোগ্রামারকে তার বাসা থেকে আটক করা হয়। তবে আটকের পর প্রায় ৩৫ ঘণ্টা পার হলেও তাকে কোনো ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করা হয়নি, যা সংবিধান ও ফৌজদারি কার্যবিধির স্পষ্ট লঙ্ঘন।
রাকিবুল ইসলাম রাকিব পোস্টে উল্লেখ করেন, আইন অনুযায়ী ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ ছাড়া কাউকে ২৪ ঘণ্টার বেশি আটক রাখা যায় না। অথচ একজন নিম্নপদস্থ চাকরিজীবীকে দীর্ঘ সময় ধরে আটকে রেখে হয়রানি করা হচ্ছে। এতে ক্ষমতার অপব্যবহার ঘটেছে।
বিজ্ঞাপন
তিনি আরও দাবি করেন, অবিলম্বে আটক ব্যক্তিকে ম্যাজিস্ট্রেট ও সংবাদমাধ্যমের সামনে উপস্থাপন করা উচিত। যেহেতু তাকে আইনবহির্ভূতভাবে আটক রাখা হয়েছে, তাই আইনের বিধান অনুযায়ী ম্যাজিস্ট্রেটের তাকে জামিনে মুক্তি দিবেন।
প্রসঙ্গত, জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানের এক্স অ্যাকাউন্ট হ্যাক করার অভিযোগে পুলিশ বঙ্গভবনের সহকারী প্রোগ্রামার ছরওয়ার আলমকে আটক করে। মঙ্গলবার মধ্যরাতের পর তাকে ডিবি হেফাজতে নেওয়া হয়।
ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের অতিরিক্ত কমিশনার শফিকুল ইসলাম জানান, আটক ব্যক্তির ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ও ল্যাপটপ জব্দ করে সেগুলো পরীক্ষা করা হচ্ছে।
বিজ্ঞাপন
এর আগে, জামায়াত আমিরের এক্স অ্যাকাউন্ট থেকে দেওয়া একটি বিতর্কিত পোস্ট ঘিরে নির্বাচনি প্রচারণার মধ্যে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়।
জামায়াতের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, শনিবার রাতে তাদের দলপ্রধানের এক্স হ্যান্ডেল হ্যাক করে ওই পোস্টটি দেওয়া হয়েছিল।
বিজ্ঞাপন
ঘটনাটি নিয়ে প্রতিবাদ ও বিক্ষোভের পর মঙ্গলবার বিকেলে জামায়াতের একটি প্রতিনিধি দল বঙ্গভবনে গিয়ে লিখিত অভিযোগ জমা দেয়। এরই ধারাবাহিকতায় ওই দিন রাতে মতিঝিল এলাকা থেকে সহকারী প্রোগ্রামার ছরওয়ার আলমকে আটক করা হয় বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়।









