ধানের শীষের মিছিল নিয়ে কেন্দ্রে যাবেন, ভোট দেবেন ১১ দলীয় ঐক্যজোটে

জাতীয় নাগরিক পার্টির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ আসনে ১১ দলীয় ঐক্যজোটের প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেছেন, দেশের বর্তমান একটি অংশ মা-বোনদের হিজাব খুলে লাঞ্ছিত করছে এবং ভারতের দালালদের সহায়তা করছে। তাদের নেতারা দ্বিমুখী রাজনীতি চালাচ্ছেন, যেখানে একদিকে ‘হ্যাঁ’ আর অন্যদিকে ‘না’ প্রচারণা। অন্যদিকে, আমরা ইনসাফ ও জনগণের পক্ষে দাঁড়িয়েছি এবং বিজয়ের দ্বারপ্রান্তে অবস্থান করছি।
বিজ্ঞাপন
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে যশোর শহরের ভৈরব চত্বরে অনুষ্ঠিত ১১ দলীয় ঐক্যজোটের নির্বাচনী পথসভায় হাসনাত এসব মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটের ফলাফল দেশ কেমন হবে তা নির্ধারণ করবে। ধানের শীষের অনেক নেতাকর্মীর ওপর নানা ধরনের চাপ রয়েছে। তারা ধানের শীষের মিছিল নিয়ে কেন্দ্রে যাবেন ঠিকই, কিন্তু ভোট দেবেন ১১ দলীয় ঐক্যজোটে। আপনারা তাদের কাছে আমার এই দাওয়াত পৌঁছে দেবেন।
বিজ্ঞাপন
হাসনাত আরও বলেন, ব্যবসায়ীরা আজ আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন। তাই আপনাদের প্রত্যেককে মানুষদের দ্বারে দ্বারে পৌঁছাতে হবে। ভোট প্রার্থীর জন্য নয়, জনগণের হাতে। যারা চাঁদাবাজি করেন, তবুও তারা সন্তানের জন্য সুন্দর ভবিষ্যৎ চান। তাদের কাছে আমাদের বার্তা পৌঁছাতে হবে।
প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে তিনি সমালোচনা করে বলেন, গতকালের আচরণ সকলেই দেখেছেন। আবারও পুরোনো কায়দায় পুলিশকে ব্যবহার করার চেষ্টা হচ্ছে। আপনাদের পোশাক জনগণের আস্থার প্রতীক। বিবেকের কাছে দায়বদ্ধ থাকুন, কোনো রাজনৈতিক দলের কাছে নয়।
হাসনাত অভিমুখে বলেন, এই নির্বাচন আধিপত্যবাদ থেকে মুক্তি, রাষ্ট্রগঠন ও ফ্যাসিবাদ কবরস্থ করার নির্বাচন। ভোটের দিন সকাল সাড়ে সাতটা থেকে উপস্থিত থাকা এবং ফলাফল ঘোষণার পর্যন্ত পাহারা দেওয়ার আহ্বান জানান।
বিজ্ঞাপন
পথসভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ১১ দলীয় জোটের শরিক দল জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী ভিপি আব্দুল কাদের।
তিনি হাসনাতকে অন্যায়ের বিরুদ্ধে শক্তিশালী প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, যশোরবাসী আর চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসী দেখতে চায় না। ১২ ফেব্রুয়ারি জনগণের শক্তিতে বিজয় নিশ্চিত হবে।
বিজ্ঞাপন
সভায় আরও বক্তব্য রাখেন এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা সাকিব শাহরিয়ার। সভার সভাপতিত্ব করেন এনসিপির প্রধান সমন্বয়কারী নুরুজ্জামান।
সভা শেষে ভৈরব চত্বর থেকে একটি নির্বাচনী মিছিল বের হয়ে শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পথসভা ও মিছিলে উপস্থিত নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সভাস্থল ও আশপাশে পোশাকধারী ও সাদা পোশাকধারী আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন করা হয়।








