জামায়াতের অপপ্রচার আলেম সমাজও প্রত্যাখ্যান করেছেন: ফখরুল

বাংলাদেশের খ্যাতনামা আলেম সমাজ জামায়াতে ইসলামীর বিভ্রান্তিকর ও অপপ্রচারমূলক বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করেছেন বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, ধর্মকে ব্যবহার করে ভোট আদায়ের অপচেষ্টা দেশের মানুষ আর গ্রহণ করবে না।
বিজ্ঞাপন
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের জামালপুর ইউনিয়নের ভগদগাজি বাজারে আয়োজিত এক পথসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, একটি বিশেষ প্রতীকে ভোট দিলে বেহেশতে যাওয়া যাবে—এ ধরনের বক্তব্য সম্পূর্ণ বিভ্রান্তিকর ও ধর্মের অপব্যবহার।
বিজ্ঞাপন
তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, দাঁড়িপাল্লা মার্কায় ভোট দিলে নাকি বেহেশতে যাওয়া যাবে—নাউজুবিল্লাহ। একটা নির্দিষ্ট মার্কায় ভোট দিলে কি কেউ বেহেশতে যেতে পারে? দেশের প্রখ্যাত আলেমরা এ ধরনের বক্তব্যকে স্পষ্টভাবে প্রত্যাখ্যান করেছেন।
তিনি আরও বলেন, দেশের শীর্ষ আলেমদের একজন মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী প্রকাশ্যে জামায়াতে ইসলামীকে ভোট দেওয়া নাজায়েজ বলে মন্তব্য করেছেন। একইভাবে চরমোনাই পীর জামায়াতকে পৃথিবীর অন্যতম বড় মিথ্যাবাদী রাজনৈতিক দল হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। এমন একটি দলের অপপ্রচারে বিভ্রান্ত হয়ে ইমান নষ্ট করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।
পথসভায় উপস্থিত জনতার উদ্দেশে বিএনপির মহাসচিব বলেন, মা-বোন ও ভাইদের প্রতি আমার অনুরোধ—কেউ বিভ্রান্ত হবেন না, ধর্মের নামে চালানো অপপ্রচারে কান দেবেন না। সত্য ও ন্যায়বিচারের পক্ষে অবস্থান নিন।
বিজ্ঞাপন
তিনি আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় দেশ গঠন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রী করার জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।
মির্জা ফখরুল বলেন, এই নির্বাচন শুধু ক্ষমতার পরিবর্তনের নয়, এটি গণতন্ত্র, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং মানুষের অধিকার ফিরিয়ে আনার নির্বাচন। সঠিক সিদ্ধান্তের মাধ্যমেই দেশকে আবার সঠিক পথে ফেরানো সম্ভব।








