ব্যারিস্টার ফুয়াদের নির্বাচনী অফিস ভাঙচুরের অভিযোগ

বরিশাল-৩ আসনে ১১ দলীয় জোট মনোনীত ঈগল প্রতীকের প্রার্থী ও এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদের নির্বাচনী কার্যালয়ে ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় বিএনপি নেতাকর্মীদের দায়ী করেছেন তিনি।
বিজ্ঞাপন
বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সকালে বাবুগঞ্জ উপজেলার মাধবপাশা ইউনিয়নে নিজ নির্বাচনী অফিসের সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলে এ অভিযোগ করেন ফুয়াদ। তার দাবি, সকালে অফিসে দলীয় নেতাকর্মীরা কাজ করার সময় বিএনপি প্রার্থী অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীনের ঘনিষ্ঠজনদের নেতৃত্বে একদল ব্যক্তি সেখানে হামলা ও ভাঙচুর চালায়।
তিনি অভিযোগ করেন, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক সুলতান আহম্মেদ খান এবং তার ভাই সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান অহিদুল ইসলাম খানের নেতৃত্বে এ ঘটনা ঘটে।
বিজ্ঞাপন
ফুয়াদ আরও বলেন, প্রশাসনকে একাধিকবার জানানো হলেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। বরং প্রশাসন বিএনপির পক্ষ নিয়ে কাজ করছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের কাছে সন্ত্রাসীদের তালিকা দেওয়া হলেও কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি বলে দাবি করেন।
তার ভাষ্য, বরিশাল-৩ আসনে কয়েকজন চিহ্নিত সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করা হলে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব হতো। দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়মিত ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে এবং নির্বাচন পরবর্তী হামলার হুমকিও দেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
তার মতে, প্রশাসন নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করলে এখনো সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন সম্ভব।
বিজ্ঞাপন
ঘটনার পর বুধবার দুপুরে মাধবপাশা বাজার এলাকায় ভাঙচুরের শিকার নির্বাচনি অফিসটি পরিদর্শন করেন বাবুগঞ্জ আর্মি ক্যাম্পের সদস্যরা ও পুলিশ।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছে স্থানীয় বিএনপি নেতারা। উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক সুলতান আহম্মেদ খান বলেন, এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং নির্বাচনকে ঘিরে পরিস্থিতি ঘোলাটে করার চেষ্টা চলছে।
বিজ্ঞাপন
মাধবপাশা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি অহিদুল ইসলাম খান দাবি করেন, ব্যারিস্টার ফুয়াদ নিজ কার্যালয়ে ভাঙচুর করে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলছেন। তিনি আরও বলেন, সকালে ফুয়াদের সমর্থকেরা এলাকায় টাকা ও ডামি ব্যালট বিতরণ করছিল বলে খবর পাওয়া যায়। স্থানীয়রা বাধা দিলে ঘটনাকে ভিন্ন খাতে নিতে নিজেরাই অফিসে ভাঙচুর চালিয়ে দায় চাপানো হয়েছে বলে তার দাবি।








