‘কেউ কেন্দ্র দখল করলে আমরা দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখব না’

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, ‘কেউ কেন্দ্র দখল করলে, ভোট চুরি করলে আমরা দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখব না। আমরা সর্বাত্মক প্রতিরোধ গড়ে তুলব, সে প্রস্তুতি আমাদের আছে। আমরা শেষ পর্যন্ত মাঠে থাকব, কোনোভাবেই মাঠ ছেড়ে দেব না। যেকোন পরিস্থিতিতে যেকোনো সিদ্ধান্ত ১১ দলীয় জোট থেকে আমরা জানাব।’
বিজ্ঞাপন
বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাতে রাজধানীর বাংলামোটরে এনসিপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সেক্রেটারি মনিরা শারমিনসহ অন্যান্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
আসিফ মাহমুদ বলেন, সারাদেশে এক ধরনের ভুয়া খবরের ছড়াছড়ি দেখতে পাচ্ছি। যাদের নিরপেক্ষ ভূমিকা থাকার কথা তাদেরও বায়াস্ড দেখা যাচ্ছে। বিভিন্ন জায়গায় আমাদের যারা প্রার্থী আছেন, তাদের পোলিং এজেন্টদের বাধা দেওয়া হচ্ছে। আমরা আশা করব, যারা নির্বাচনী দায়িত্বে আছেন আপনারা দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবেন।
বিজ্ঞাপন
তিনি বলেন, আজ সারাদেশে টাকা উদ্ধারের নামে ব্যক্তি স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করা হয়েছে। আমরা দেখেছি ২০ হাজার টাকা উদ্ধারের নামেও জামায়াত নেতাকে হেনস্তা করা হয়েছে। বাসায় গিয়ে টাকা এবং ল্যাপটপ উদ্ধারে নামে নাটক মঞ্চায়ন করা হচ্ছে। ১১ দলীয় জোট এবং প্রার্থীদের নানাভাবে ফ্রেমিং করার চেষ্টা করা হচ্ছে। নির্দিষ্ট দলের সঙ্গে যোগসাজশের মাধ্যমে ন্যারেটিভ তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে। ভোটারদের সাথে যারা অর্থের লেনদেন করতেছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আহবান জানাচ্ছি।
আরও পড়ুন: রিজভীকে দেখতে হাসপাতালে তারেক রহমান
যৌথবাহিনীর প্রশংসা করে তিনি বলেন, আমাদের যৌথবাহিনী এবং সেনাবাহিনী ভালো কাজ করছেন। তারা বিভিন্ন জায়গা থেকে মজুত থাকা অস্ত্র উদ্ধার করেছেন। এর মাধ্যমে ভোটারদের স্বস্তি দিয়েছেন। তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। আজকে রাতের মধ্যে যাতে সব অস্ত্র উদ্ধার করা হয়, সে আহবান জানাচ্ছি। যাতে সবাই নিরাপদে ভোট দিতে পারে।
বিজ্ঞাপন
গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়েও সমালোচনা করে আসিফ মাহমুদ বলেন, বাংলাদেশের মিডিয়া আবারও ৫ আগস্ট এর আগের বায়াস্ডনেস অবস্থনে ফিরে যাচ্ছে। নির্দিষ্ট দলকে তাদের মিস ইনফরমেশন এবং ফ্রেমিং সহযোগিতা করছে। ৫ আগস্টের আগের এই ধরনের অবস্থানের কারণে আমরা যথেষ্ট ছাড় দিয়েছি। এবারের নির্বাচনের পর আর ছাড় দেওয়া হবে না। যারা বায়া্ডনেস দেখাচ্ছেন, তাদের প্রতি সতর্কতা জানাতে চাই। আমরা নোট রাখছি কারা এ ধরনের কাজ করছেন। ৫ আগস্টের কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি, এক ধরনের ক্ষমা করে দিয়েছি। এবার আর ক্ষমা করা হবে না।








