ভোট শেষে জনগণই সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেবে: জামায়াত আমির

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন হলে ফলাফল যাই হোক না কেন, তা মেনে নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। একই সঙ্গে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, ভোট শেষে জনগণই তাদের সঠিক সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেবে।
বিজ্ঞাপন
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮টার কিছু পর রাজধানীর মনিপুর বয়েজ উচ্চ বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে নিজের ভোট প্রদান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, দীর্ঘদিন ধরে দেশের মানুষ ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত ছিল। এবারের নির্বাচনের মাধ্যমে যে সরকার গঠিত হবে, তা ১৮ কোটি মানুষের প্রতিনিধিত্বকারী একটি জনগণের সরকার হবে বলে তিনি মনে করেন।
বিজ্ঞাপন
তিনি জানান, ছোটখাটো বিষয়ে সহনশীল থাকলেও বড় ধরনের অনিয়ম বা অন্যায়ের ক্ষেত্রে দল প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে পিছপা হবে না।
ভোট প্রদান শেষে তিনি ঢাকা-১৫ আসনের একাধিক ভোটকেন্দ্র পরিদর্শনে যান। আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের একটি কেন্দ্রে জামায়াত আমির ও বিএনপির প্রার্থী শফিকুল ইসলাম খান মিল্টনের মুখোমুখি দেখা হলে তারা একে অপরের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন।
এরপর দুপুরের দিকে মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে জামায়াতের এক নারী কর্মীকে বিএনপির কর্মীদের দ্বারা হেনস্থার অভিযোগ ওঠে। অভিযোগের প্রেক্ষিতে ঘটনাস্থলে যান জামায়াতে ইসলামীর আমির। সেখানে তিনি নারী হেনস্তার বিষয়ে দায়িত্বরত সেনাবাহিনীর সদস্যদের অবহিত করেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান। এ সময় সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে আর কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটার আশ্বাস দেওয়া হয়।
বিজ্ঞাপন
এ ছাড়া দক্ষিণ কাফরুল উচ্চ বিদ্যালয়সহ কুমিল্লা ও খুলনার কয়েকটি এলাকায় কেন্দ্র দখল এবং শারীরিকভাবে হেনস্থার অভিযোগ তুলে ধরেন জামায়াত আমির।
তবে এসব অভিযোগ সত্ত্বেও তিনি বলেন, শেষ পর্যন্ত ভোটের মাধ্যমে জনগণই তাদের মতামত ও সিদ্ধান্ত প্রকাশ করবে—এটাই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য।
বিজ্ঞাপন
ডা. শফিকুর রহমান পুনরায় উল্লেখ করেন, নির্বাচন যদি অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়, তাহলে জনগণের রায় যাই হোক, জামায়াতে ইসলামী তা সম্মানের সঙ্গে গ্রহণ করবে।








