Logo

রাশেদ খান ফিরে আসতে চাইলে স্বাগত জানানো হবে: নুর

profile picture
নিজস্ব প্রতিবেদক
১৬ মার্চ, ২০২৬, ১৩:২৫
রাশেদ খান ফিরে আসতে চাইলে স্বাগত জানানো হবে: নুর
নুরুল হক নুর | ফাইল ছবি

গণঅধিকার পরিষদে সাবেক নেতা রাশেদ খান পুনরায় যোগ দিতে চাইলে তাকে স্বাগত জানানো হবে বলে জানিয়েছেন দলের সভাপতি এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর। সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের টকশোতে অংশ নিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।

বিজ্ঞাপন

নুরুল হক নুর বলেন, রাশেদ খান বর্তমানে জাতীয় পর্যায়ে যে অবস্থানে পৌঁছেছেন, তার পেছনে গণঅধিকার পরিষদের অবদান রয়েছে। একটি সংগঠন থেকে একজন নেতাকে গড়ে তুলতে দলের নেতাকর্মীদের অনেক পরিশ্রম ও ত্যাগ স্বীকার করতে হয়। সে কারণে রাশেদ যদি আবার দলে ফিরে আসতে চান, তাহলে তাকে স্বাগত জানাতে তাদের কোনো আপত্তি থাকবে না।

তিনি আরও বলেন, রাশেদ খান এখন জাতীয় পর্যায়ে পরিচিত একটি মুখ। বিভিন্ন গণমাধ্যমেও তিনি পরিচিতি পেয়েছেন। কিন্তু এই অবস্থানে পৌঁছানোর পেছনে গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের দীর্ঘদিনের শ্রম ও অবদান রয়েছে। দেশের কঠিন সময়ে সংগঠনের অল্প কয়েকজন কর্মী যে ত্যাগ স্বীকার করেছেন, তা অনেক সংগঠনের ক্ষেত্রেই দেখা যায় না।

বিজ্ঞাপন

রাশেদ খানের নির্বাচনে অংশগ্রহণের প্রসঙ্গ তুলে নুর জানান, গত নির্বাচনে তিনি বিএনপির প্রতীক ধানের শীষ নিয়ে নির্বাচন করেছিলেন। এই সিদ্ধান্ত এককভাবে নেওয়া হয়নি, বরং দলের সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করেই সেই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছিল। সে সময় রাজনৈতিক জোটের সমীকরণ বিবেচনা করে তাকে ওই প্রতীকে নির্বাচন করার বিষয়ে সম্মতি দেওয়া হয়।

নুর বলেন, ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার কারণে দলীয় নিয়ম অনুযায়ী রাশেদ খানকে বিএনপির সদস্যপদ গ্রহণ করতে হয়েছিল। এই পরিস্থিতিতে দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম সচল রাখতে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব দেওয়া হয় দলের সিনিয়র নেতা হাসান মামুনকে।

বিজ্ঞাপন

আলোচনার এক পর্যায়ে দেশের সংসদীয় সংস্কৃতি নিয়েও কথা বলেন নুরুল হক নুর। তিনি মনে করেন, সংসদে অযথা তর্ক-বিতর্ক বা সংঘাতের পরিবর্তে গঠনমূলক আলোচনা হওয়া প্রয়োজন। বিভিন্ন দেশের সংসদে কখনও কখনও বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি হয়, এমনকি চেয়ার ছোড়াছুড়ির ঘটনাও দেখা যায় বলে উল্লেখ করেন তিনি।

তার মতে, অন্য দেশের এমন নেতিবাচক উদাহরণ অনুসরণ না করে বাংলাদেশের সংসদে দায়িত্বশীল আচরণ ও গঠনমূলক বিতর্কের সংস্কৃতি গড়ে তোলা জরুরি। এতে করে গণতন্ত্র শক্তিশালী হবে এবং জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী কার্যকর সংসদীয় কার্যক্রম পরিচালনা করা সম্ভব হবে।

জেবি/এএস

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD