মনোনয়ন বাতিলের ইস্যু নিয়ে হাইকোর্টে যাচ্ছেন নুসরাত তাবাসসুম

সংরক্ষিত নারী আসনে নির্ধারিত সময়ের ১৯ মিনিট পর মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার কারণে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তে মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় আইনি পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছেন এনসিপি নেত্রী নুসরাত তাবাসসুম। বিষয়টি এখন আদালতের মাধ্যমে চ্যালেঞ্জ করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন তিনি ও তার দল।
বিজ্ঞাপন
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) এনসিপির যুগ্ম সদস্য সচিব সালেহ উদ্দিন সিফাত এক গণমাধ্যমকে মুঠোফোনে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সরাসরি হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হবে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে সিফাত উল্লেখ করেন, সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য এনসিপির পক্ষ থেকে মোট তিনজন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন। তারা হলেন—ডাঃ মাহমুদা মিতু, মনিরা শারমিন এবং নুসরাত তাবাসসুম। এর মধ্যে ডাঃ মাহমুদা মিতুর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
অন্যদিকে মনিরা শারমিনের মনোনয়ন বাতিল হয়েছে এবং নির্ধারিত সময় অতিক্রম করে জমা দেওয়ায় নুসরাত তাবাসসুমের মনোনয়নপত্র গ্রহণই করা হয়নি।
তিনি আরও জানান, মনিরা শারমিন তার মনোনয়ন বাতিলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনের ট্রাইব্যুনালে আপিল করার সুযোগ পাচ্ছেন এবং সে অনুযায়ী প্রস্তুতিও নিচ্ছেন। তবে নুসরাত তাবাসসুমের ক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনালে আপিলের সুযোগ নেই বলে সরাসরি উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হতে হচ্ছে।
বিজ্ঞাপন
সিফাত বলেন, হাইকোর্টে রিট পিটিশন দায়ের করে নুসরাত তাবাসসুমের মনোনয়নপত্রটি ‘অন মেরিট’ বিবেচনার জন্য নির্দেশনা চাওয়া হবে। আদালত যদি এ বিষয়ে রুল জারি করে কমিশনকে নির্দেশ দেন, তাহলে নির্বাচন কমিশন পুনরায় বিষয়টি পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত জানাবে।
তিনি আরও আশাবাদ ব্যক্ত করেন, আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট আসনটি শেষ পর্যন্ত এনসিপির দখলেই থাকবে। এ লক্ষ্যে দলটি দ্রুত আদালতে যাওয়ার প্রস্তুতি সম্পন্ন করছে বলেও জানান তিনি।








