স্বাধীনতার ইতিহাস মুছে ফেলার অপচেষ্টা সফল হবে না: রিজভী

স্বাধীনতার গৌরবময় ইতিহাসকে আড়াল করার অপচেষ্টা চলছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর শিল্প উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও ৩০ লাখ শহীদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে কোনো ষড়যন্ত্র বা অপপ্রচারের মাধ্যমে মুছে ফেলা সম্ভব নয়।
বিজ্ঞাপন
রবিবার (২৬ এপ্রিল) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম দলের নবগঠিত কমিটির উদ্যোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
রিজভী বলেন, দেশের স্বাধীনতার প্রকৃত ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়া অত্যন্ত জরুরি। একটি মহল পরিকল্পিতভাবে সেই ইতিহাসকে বিকৃত বা বিস্মৃত করার চেষ্টা করছে। তবে জাতির আত্মত্যাগ ও সংগ্রামের ইতিহাস কখনোই মুছে ফেলা যাবে না।
বিজ্ঞাপন
তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, স্বাধীনতার চেতনাকে আঘাত করার যেকোনো অপচেষ্টা জনগণই প্রতিহত করবে।
জ্বালানি পরিস্থিতি প্রসঙ্গে রুহুল কবির রিজভী বলেন, জ্বালানি সংকট শুধু বাংলাদেশের একার সমস্যা নয়; এটি বর্তমানে বৈশ্বিক বাস্তবতা। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করছে এবং ধীরে ধীরে পরিস্থিতি কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করছে।
বিজ্ঞাপন
তিনি আরও বলেন, দেশের কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে খাল খনন কর্মসূচির গুরুত্ব অপরিসীম। অতীতে দুর্ভিক্ষের আশঙ্কা মোকাবিলায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান খাল খননের মতো যুগান্তকারী উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন। সেই উদ্যোগের ফলে সেচব্যবস্থা উন্নত হয় এবং কৃষি উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়। এর ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতার পথে এগিয়ে যায়।
নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসারেও গুরুত্বারোপ করেন রিজভী। তিনি সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনকে আরও উৎসাহিত করতে সোলার প্যানেল ও সংশ্লিষ্ট যন্ত্রপাতির ওপর আরোপিত কর হ্রাসের আহ্বান জানান। তার মতে, কর কমানো হলে দেশে সৌরশক্তির ব্যবহার বাড়বে, যা একদিকে বিদ্যুৎ উৎপাদনে সহায়ক হবে, অন্যদিকে পরিবেশবান্ধব জ্বালানির প্রসারেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।








