আন্দোলন-সংগ্রামে পরীক্ষিত নেতা ভিপি তাজুল

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের সদ্য বিলুপ্ত কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক (কুমিল্লা বিভাগ) তাজুল ইসলাম (ভিপি তাজুল) দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন-সংগ্রামে পরীক্ষিত সাহসী ও ত্যাগী নেতা হিসেবে নেতাকর্মীদের কাছে পরিচিত। দলের দুঃসময়ে রাজপথে সক্রিয় উপস্থিতি, জেল-জুলুম উপেক্ষা করে সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন এবং বিভিন্ন আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কারণে তিনি তৃণমূল নেতাকর্মীদের আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছেন।
বিজ্ঞাপন
রাজনৈতিক জীবনের শুরু থেকেই ছাত্রদলের রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন ভিপি তাজুল। সরকারি অনার্স কলেজ ছাত্র সংসদের নির্বাচিত ভিপি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি ছাত্রসমাজের অধিকার আদায়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। পরবর্তীতে জাতীয়তাবাদী শক্তির বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে সম্মুখসারিতে থেকে নেতৃত্ব দেন এবং ধীরে ধীরে নিজেকে একজন দক্ষ সংগঠক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন।
দলের কঠিন সময়ে হামলা-মামলা ও জেল-জুলুমের ভয় উপেক্ষা করে প্রতিটি সাংগঠনিক টিমে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করেছেন তিনি। বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচি বাস্তবায়নে কুমিল্লা বিভাগসহ বিভিন্ন এলাকায় নেতাকর্মীদের সংগঠিত করতে তার ভূমিকা ছিল উল্লেখযোগ্য।
বিজ্ঞাপন
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর আসন এবং ঢাকা-১৭ আসনের সাংগঠনিক টিমে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন ভিপি তাজুল। নির্বাচনকেন্দ্রিক সাংগঠনিক কার্যক্রম, নেতাকর্মীদের সমন্বয় এবং মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম পরিচালনায় দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।
শেখ হাসিনা বিরোধী আন্দোলন, হরতাল-অবরোধ কর্মসূচি এবং জুলাই আন্দোলনে ঢাকা ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার রাজপথে সক্রিয়ভাবে অংশ নিতে দেখা গেছে তাকে। আন্দোলনের প্রতিটি ধাপে নেতাকর্মীদের সাহস ও মনোবল জোগাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি। আন্দোলন-সংগ্রাম করতে গিয়ে তিনি ৩৯টি মামলার আসামি হন এবং একাধিক বার কারাবরণ করেন।
বিজ্ঞাপন
দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, ভিপি তাজুল একজন ত্যাগী, পরিশ্রমী ও মাঠপর্যায়ের পরীক্ষিত নেতা। দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও সাংগঠনিক দক্ষতার মাধ্যমে তিনি যুবদলের রাজনীতিতে নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করেছেন। ভবিষ্যতে যুবদলের কমিটিতে দায়িত্বশীল পদে সুযোগ পেলে দলের যেকোনো আন্দোলন-সংগ্রামে আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন বলে আশা প্রকাশ করেছেন নেতাকর্মীরা।








