ঐকমত্য হয়ে জামায়াত-শিবিরও নিষিদ্ধ করা দরকার: নুরুল হক নুর

প্রয়োজনে রাজনৈতিক ঐকমত্যের ভিত্তিতে জামায়াত-শিবিরের মতো সংগঠন নিষিদ্ধ করার উদ্যোগ নেওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী এবং গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর।
বিজ্ঞাপন
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) কুষ্টিয়ায় জামায়াত-শিবিরের সঙ্গে সংঘর্ষে আহত ছাত্র অধিকার পরিষদের নেতা সোহানুর রহমানকে দেখতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যান নুরুল হক। পরে হাসপাতালের সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
নুরুল হক বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে জামায়াত-শিবিরের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। পরে অন্তর্বর্তী সরকার সেই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে। এখন নির্বাচিত সরকারের উচিত বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে পর্যালোচনা করা। প্রয়োজন হলে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ঐকমত্য তৈরি করে সংগঠনটির বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার সিদ্ধান্ত নেওয়া যেতে পারে বলে তিনি মনে করেন।
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় জামায়াতের ভূমিকার প্রসঙ্গ তুলে নুরুল হক বলেন, ওই সময়ে সংঘটিত গণহত্যা, লুটপাট ও ধর্ষণের ইতিহাস বিবেচনায় জামায়াত-শিবিরের কর্মকাণ্ডেরও বিচার হওয়া প্রয়োজন। তার আশঙ্কা, উগ্রবাদী কর্মকাণ্ড বাড়তে থাকলে দেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পর্যায়েও বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
বিজ্ঞাপন
আরও পড়ুন
গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি আরও অভিযোগ করেন, একসময় মজলুমের অবস্থানে থাকা জামায়াত-শিবির সাম্প্রতিক সময়ে ক্ষমতার প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছে। তার দাবি, দলটির কিছু কর্মকাণ্ডে দখলদারত্ব ও সহিংসতার পুরোনো চিত্র ফিরে আসার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ইসলামী ব্যাংকসহ বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও ক্ষমতার অংশীদারত্ব নিয়ে সংগঠনটি সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
বিজ্ঞাপন
মাওলানা আমির হামজার বিভিন্ন বক্তব্য নিয়েও সমালোচনা করেন নুরুল হক। তার মতে, ধর্মীয় বক্তব্যে বিদ্বেষ বা বিতর্কিত মন্তব্যকে সমর্থন করা কোনো রাজনৈতিক দলের নৈতিক অবস্থানকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।
রাজনীতিতে ধর্মের ব্যবহার নিয়েও আপত্তি জানান গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি। এ প্রসঙ্গে তিনি জামায়াতে ইসলামীর নাম থেকে ‘ইসলাম’ শব্দটি বাদ দেওয়ার আহ্বান জানান।








