Logo

সংসদ এড়িয়ে লংমার্চে গণতন্ত্র বিনষ্টের চেষ্টা: রিজভী

profile picture
নিজস্ব প্রতিবেদক
৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১৬:৩৬
সংসদ এড়িয়ে লংমার্চে গণতন্ত্র বিনষ্টের চেষ্টা: রিজভী
ছবি: সংগৃহীত

সংসদে নিজেদের বক্তব্য ও দাবি তুলে না ধরে মাত্র ছয় মাসের মধ্যে বিরোধী দল রাজপথে ‘লংমার্চ’ কর্মসূচির মাধ্যমে গণতন্ত্রকে ক্ষতিগ্রস্ত করার চেষ্টা করছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।

বিজ্ঞাপন

রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনানুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।

রুহুল কবির রিজভী বলেন, বিরোধী দল রাজপথে লংমার্চের কর্মসূচি নিয়ে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সম্পর্কে ব্যক্তিগতভাবে অশ্রাব্য ও আপত্তিকর শব্দ ব্যবহার করছে। দলটির পক্ষ থেকেও এসব কর্মকাণ্ডে আশ্রয়-প্রশ্রয় দেওয়া হচ্ছে, যা স্পষ্টতই অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড। জনগণের সামনে উচ্চারণ করা যায় না—এমন শব্দও প্রকাশ্যে ব্যবহার করা হচ্ছে। এসব অপপ্রচারের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হলে বিরোধী দল সেটিকে দমন-পীড়ন হিসেবে তুলে ধরে গণতন্ত্র বিনষ্টের চেষ্টা করছে।

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

জ্বালানি সংকট ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বিরোধী দলের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন রিজভী। তিনি বলেন, জ্বালানি সংকট নিয়ে বিরোধী দল কেবল সমালোচনা করছে, কিন্তু পরিস্থিতি মোকাবিলায় কোনো গঠনমূলক প্রস্তাব দিচ্ছে না। সংসদে এ বিষয়ে পরামর্শ না দিয়ে তারা বাইরে ষড়যন্ত্রের পথ বেছে নিয়েছে। একই সঙ্গে দেশের রিজার্ভ বৃদ্ধির মতো ইতিবাচক অর্জনগুলো জনগণের সামনে তুলে না ধরে সেগুলো আড়াল করার চেষ্টা করছে।

বিএনপির এই নেতা আরও বলেন, সরকার ব্যর্থ হয়েছে—এমন দাবি করে বিরোধীরা রাজপথে আন্দোলন করলেও সাধারণ মানুষ তাদের কর্মকাণ্ড ভালোভাবে দেখছে না। দায়িত্বশীল বিরোধী দলের ভূমিকা পালনের বদলে সংসদে দাবি ও প্রস্তাব উপস্থাপন না করে তারা রাজপথকে বেছে নিয়েছে।

বিজ্ঞাপন

তার মতে, এর মাধ্যমে সরকারের সার্বিক উন্নয়ন ও ইতিবাচক কর্মকাণ্ডকে আড়াল করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

সংবাদ সম্মেলনে রিজভী বিএনপির পাঁচ দিনব্যাপী প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচি সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে বলেও জানান। দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী যে নির্দেশনা দিয়েছেন, তা মেনে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে টাঙানো সব বিলবোর্ড ও ব্যানার দ্রুত খুলে ফেলতে হবে।

এ সময় বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ, স্বেচ্ছাসেবকবিষয়ক সম্পাদক মীর শরাফত আলী সপু, মাহমুদুর রহমান সুমন, আসাদুল করিম শাহীন, তারিকুল ইসলাম তেনজিং, ডা. জাহিদুল কবিরসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

জেবি/এএস

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD