Logo

আসতে চাঁদা যাইতে চাঁদা, চাঁদাবাজির জন্যই সবকিছুর এত দাম

profile picture
জেলা প্রতিনিধি
সিরাজগঞ্জ
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১৮:৩৪
আসতে চাঁদা যাইতে চাঁদা, চাঁদাবাজির জন্যই সবকিছুর এত দাম
ছবি: সংগৃহীত

নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ার পেছনে চাঁদাবাজিকে দায়ী করেছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও রংপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য এটিএম আজহারুল ইসলাম। তিনি বলেছেন, চাঁদাবাজি বন্ধ করা গেলে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম কমে আসবে।

বিজ্ঞাপন

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকালে সিরাজগঞ্জের হাটিকুমরুল মোড়ের একটি অভিজাত রেস্টুরেন্টের হলরুমে গণভোটের রায় বাস্তবায়নসহ আট দফা দাবিতে লংমার্চ কর্মসূচি ঘোষণার সময় তিনি এসব কথা বলেন।

এটিএম আজহারুল ইসলাম বলেন, ঈদের সময় সাধারণত জিনিসপত্রের দাম বাড়ে। কিন্তু এখন কেন দাম বাড়ছে? তিনি বলেন, “আসতে চাঁদা যাইতে চাঁদা।” এই চাঁদাবাজি বন্ধ করা গেলে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম কমে যাবে।

কৃষকদের সার না পাওয়ার অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, সার গুদামে আছে, কিন্তু কৃষক পাচ্ছেন না। অথচ পতিত সরকারের নেতার বাসায় সার পাওয়া যাচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

সরকারের গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন জামায়াতের এই নেতা। তিনি বলেন, ১৪ থেকে ১৬ বছর ধরে গোয়েন্দা বাহিনী কোথায় কী বৈঠক হয়, তা খুঁজে বের করতে পারত। এখন তারা কেন তা করতে পারছে না, নাকি তাদের করতে দেওয়া হচ্ছে না—এ প্রশ্নও তোলেন তিনি।

গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবি

এটিএম আজহারুল ইসলাম অভিযোগ করেন, বিএনপি গণভোটের শপথ না নিয়ে এবং গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করে জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করছে।

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, সংসদে বারবার জনগণের গণরায় বাস্তবায়নের দাবি জানানো হয়েছে। এ দাবিতে তারা সংসদ থেকে ওয়াক আউটও করেছেন। কিন্তু সরকার বিষয়টি আমলে নিচ্ছে না। এ কারণে বাধ্য হয়ে তারা রাস্তায় নেমেছেন বলে জানান তিনি।

জামায়াতে ইসলামীকে গত ১৬ বছরে সবচেয়ে বেশি নির্যাতিত দল দাবি করে এটিএম আজহারুল বলেন, তাদের একাধিক শীর্ষ নেতাকে ফাঁসি দেওয়া হয়েছে এবং কারাগারে হত্যা করা হয়েছে। এমনকি পতনের দুই দিন আগে তাদের নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাদেরই দেশ ছেড়ে পালাতে হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

বিজ্ঞাপন

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন সংসদের বিরোধীদলীয় হুইপ ও জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও বগুড়া মহানগরী আমির আবিদুর রহমান সোহেল, সিরাজগঞ্জ জেলা আমির ও কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরা সদস্য মাওলানা শাহিনুর আলম এবং সিরাজগঞ্জ জেলা সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম।

এ ছাড়া পাবনা জেলা নায়েবে আমির প্রিন্সিপাল ইকবাল হোসেন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সিরাজগঞ্জ জেলা আমির মুফতি আব্দুর রউফ, এনসিপি সিরাজগঞ্জ জেলার সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল মামুনসহ বিভিন্ন দলের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

জেবি/জেএইচআর

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD