সরকারের আচরণ গণতন্ত্রের সঙ্গে প্রতারণার শামিল: এ টি এম আজহার

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির এ টি এম আজহারুল ইসলাম এমপি বলেছেন, ১১ দলীয় ঐক্যের সংসদ সদস্যরা সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নিলেও বিএনপির সংসদ সদস্যরা রহস্যজনকভাবে শপথ গ্রহণ করেননি। তাঁর দাবি, এর মাধ্যমে জনগণের রায়ের প্রতি অশ্রদ্ধা দেখানো হচ্ছে এবং সরকারের আচরণ গণতন্ত্র ও জনগণের সঙ্গে প্রতারণার শামিল।
বিজ্ঞাপন
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সিরাজগঞ্জের হাটিকুমরুলে একটি রেস্টুরেন্টের হলরুমে ৮ দফা দাবি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ১১ দলীয় ঐক্যের আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় ঢাকা-রংপুর লংমার্চ কর্মসূচি নিয়েও আলোচনা করা হয়।
এ টি এম আজহারুল ইসলাম বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়নসহ বিভিন্ন জনদাবি নিয়ে ১১ দলীয় ঐক্যের আয়োজনে লংমার্চে বিপুলসংখ্যক মানুষ অংশ নিয়েছেন। রাস্তায় ও সমাবেশস্থলে মানুষের ব্যাপক উপস্থিতি হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে জনগণ এসব দাবির পক্ষে তাদের অবস্থান জানিয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি বলেন, সরকারের আচরণ গণতন্ত্র ও জনগণের সাথে প্রতারণার সামিল।
বিজ্ঞাপন
প্রেস ব্রিফিংয়ে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান এমপি। তিনি বলেন, ১১ দলীয় ঐক্যের দাবিগুলো মূলত জনগণের দাবি।
রফিকুল ইসলাম খান বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন হয়নি—এমন নজির নেই। তাঁর দাবি, জিয়াউর রহমান ও এরশাদও গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করেছিলেন; কিন্তু এবার এর ব্যতিক্রম ঘটছে।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশকে কোনোভাবেই আবার ফ্যাসিবাদের দিকে যেতে দেওয়া হবে না এবং জনগণও তা হতে দেবে না। তাঁর অভিযোগ, বর্তমান সরকার কিছুটা ফ্যাসিবাদের পথেই হাঁটছে। এভাবে পরিস্থিতি চলতে থাকলে জনগণ আবারও জুলাই অভ্যুত্থানের মতো গণআন্দোলনে নামতে বাধ্য হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
বিজ্ঞাপন
প্রেস ব্রিফিংয়ে জামায়াতে ইসলামীর বগুড়া অঞ্চল পরিচালক অধ্যাপক নজরুল ইসলাম, সিরাজগঞ্জ জেলা আমির অধ্যক্ষ শাহিনুর আলম ও সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলামসহ দলটির স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।








