রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্র পুনঃপ্রতিষ্ঠায় ৫০ লাখ টাকা দেবে জামায়াত

রাজধানীর মিরপুরের রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টার পুনঃপ্রতিষ্ঠায় ৫০ লাখ টাকা অনুদান দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটে স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর এই সহায়তার ঘোষণা দেওয়া হলো। ঘটনাটি নিয়ে শাহ আলী থানায় মামলাও হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ক্ষতিগ্রস্ত স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি পরিদর্শন করেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। পরিদর্শন শেষে তিনি পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য ৫০ লাখ টাকা দেওয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানান।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমাদের প্রাথমিকভাবে ঘোষণা করা সহায়তা অব্যাহত থাকবে ইনশা আল্লাহ। এটা দিয়ে শুরু, এটা শেষ নয়।’
তিনি জানান, রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টার পুনঃপ্রতিষ্ঠায় জামায়াতের পক্ষ থেকে ৫০ লাখ টাকা অনুদান দেওয়া হবে। প্রয়োজন হলে স্থানীয় মানুষের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতে আরও সহযোগিতা করার কথাও জানান তিনি।
বিজ্ঞাপন
জামায়াত আমির বলেন, ‘প্রয়োজনে এই এলাকার মানুষের চিকিৎসার জন্য আরও যদি কিছু করতে হয় তাহলে আমরা করব ইনশা আল্লাহ।’
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় ডা. শফিকুর রহমান অভিযোগ করেন, ‘সরকারি দলের আশ্রয়-প্রশ্রয় ছাড়া এত বড় অপকর্ম করার সাহস কেউ করবে না।’ তবে এ বক্তব্যের সমর্থনে তিনি নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি বা ঘটনার তথ্য তুলে ধরেননি।
তিনি বলেন, ‘অপরাধী যেই হোক তাকে আইনের আওতায় আনা উচিত।’
বিজ্ঞাপন
দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন জামায়াত আমির। তিনি বলেন, ‘আর কোনো দুর্বৃত্ত যেন দেশের কোথাও কোনো অসামাজিক, অপকর্ম করতে না পারে সে ব্যাপারে সরকারকে এখনই উদ্যোগ নিতে হবে।’
রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলার ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি দ্রুত স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম পুনরায় চালুর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
এর আগে ২৪ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাতে রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলা, লুটপাট ও ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে। প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, মুখোশধারী বিপুলসংখ্যক ব্যক্তি সেখানে ঢুকে নিরাপত্তাকর্মীদের জিম্মি করে মালামাল লুটের পর স্থাপনার বিভিন্ন অংশ ভেঙে ফেলে।
বিজ্ঞাপন
ঘটনার পর স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। এ ঘটনায় করা মামলায় কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। পরিদর্শনের সময় জামায়াতের কেন্দ্রীয় ও ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।







