Logo

শহরে এলো মিথ্যাবাদী রাখাল বালক: ছাত্রদলের আবিদুল

profile picture
নিজস্ব প্রতিবেদক
২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১৪:৩৯
শহরে এলো মিথ্যাবাদী রাখাল বালক: ছাত্রদলের আবিদুল
ছবি: সংগৃহীত

কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরকে ইঙ্গিত করে ‘মিথ্যাবাদী রাখাল বালক’ মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবিদুল ইসলাম খান। বিভিন্ন সাম্প্রতিক ঘটনা নিয়ে সালমানের বক্তব্যকে মনগড়া ও বিভ্রান্তিকর দাবি করে সোমবার রাতে এ মন্তব্য করেন তিনি।

বিজ্ঞাপন

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৭টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক ভিডিওতে আবিদুল ইসলাম খান এসব কথা বলেন।

ভিডিওতে আবিদুল দাবি করেন, রাজধানীতে এমন একজনের আবির্ভাব হয়েছে, যিনি বিভিন্ন ঘটনা নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছেন। তার অভিযোগ, এর আগে একটি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাকে কেন্দ্র করে সালমান মুক্তাদির একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলকে দায়ী করার চেষ্টা করেছিলেন। পরে পুলিশের তদন্তে ওই দাবি সঠিক হয়নি বলেও তিনি দাবি করেন।

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

এ ছাড়া ধর্ষণের একটি স্পর্শকাতর মামলা নিয়েও সালমান মনগড়া বক্তব্য দিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করেছিলেন বলে অভিযোগ করেন আবিদুল। পরে ডিএনএ পরীক্ষার ফলাফলে সালমানের বক্তব্য মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে—এমন দাবিও করেন তিনি। এসব বক্তব্যের পক্ষে ভিডিওতে আবিদুল বিস্তারিত তথ্য বা নথি উপস্থাপন করেছেন কি না, তা পৃথকভাবে যাচাই করা যায়নি।

সম্প্রতি রাজধানীর ইসিবি চত্বরের নিউ গিনি প্রপার্টিজে হামলা ও সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাঙচুরের ঘটনাও আবিদুলের বক্তব্যে উঠে আসে। তিনি অভিযোগ করেন, ঘটনাটিকে সালমান বিএনপির চাঁদাবাজির সঙ্গে যুক্ত করে উপস্থাপন করেছেন।

বিজ্ঞাপন

তবে ওই হামলার বিষয়ে পুলিশের প্রাথমিক বক্তব্যে ভিন্ন তথ্য পাওয়া যায়। ডিএমপির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নিউ গিনি প্রপার্টিজের সঙ্গে পাশের জমির মালিকের জমি নিয়ে বিরোধের জেরেই হামলার ঘটনা ঘটতে পারে। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, সালমানের স্টুডিও হামলাকারীদের মূল লক্ষ্য ছিল না এবং ঘটনাটিকে চাঁদাবাজির সঙ্গে যুক্ত করার তথ্যও তখন পাওয়া যায়নি।

ঘটনার পর পুলিশ কয়েকজনকে আটক করে তদন্ত শুরু করে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে পুলিশ কর্মকর্তাদের বরাতে বলা হয়েছে, হামলার পেছনে জমি-সংক্রান্ত বিরোধের বিষয়টি প্রাথমিকভাবে গুরুত্ব পাচ্ছে। একই সঙ্গে ঘটনার সঙ্গে রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা বা চাঁদাবাজির অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত চলছে।

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

আবিদুল ইসলাম খান অবশ্য দাবি করেন, ওই বিরোধে জামায়াত ও আওয়ামী লীগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সম্পৃক্ততা থাকলেও বিএনপির কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। তার অভিযোগ, এরপরও সালমান ঘটনাটিকে বিএনপির চাঁদাবাজি হিসেবে প্রচার করেছেন।

অন্যদিকে, হামলার পর সালমান মুক্তাদির সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চাঁদাবাজির অভিযোগ তুলেছিলেন। ফলে ঘটনাটি নিয়ে তার বক্তব্য এবং পুলিশের প্রাথমিক তদন্তের তথ্যের মধ্যে পার্থক্য দেখা দিয়েছে।

বিজ্ঞাপন

আবিদুলের সর্বশেষ বক্তব্য মূলত সালমান মুক্তাদিরের বিভিন্ন বক্তব্যের সমালোচনাকে কেন্দ্র করেই দেওয়া হয়েছে। এসব অভিযোগের বিষয়ে সালমান মুক্তাদিরের পাল্টা বক্তব্য পাওয়া গেলে তা-ও প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।

জেবি/এএস

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD