চাঁদাবাজির অভিযোগে মিরসরাইয়ে জামায়াতের দুই নেতা বহিষ্কার

দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও নীতি-আদর্শবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে চট্টগ্রামের মিরসরাই পৌরসভা জামায়াতের দুই নেতাকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। বহিষ্কৃতরা হলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ইমরান হাসান আফনান এবং মিরসরাই পৌরসভা জামায়াতের যুব বিভাগের সাইদুল ইসলাম।
বিজ্ঞাপন
সম্প্রতি মিরসরাই উপজেলা জামায়াতের একটি রুকন বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে তাদের বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সংগঠনটির স্থানীয় নেতাদের ভাষ্য, বহিষ্কৃত দুজনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অনিয়মে জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছিল।
মিরসরাই উপজেলা জামায়াতের এক দায়িত্বশীল নেতা বলেন, সাইদুল ও আফনান সংগঠনের আদর্শ থেকে সরে গিয়ে সরকারদলীয় লোকজনের সঙ্গে চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে জড়িয়েছিলেন বলে অভিযোগ পাওয়া যায়। তাঁদের সংশোধনের জন্য কয়েক দফা সতর্ক করা হলেও পরিবর্তন না আসায় রুকন সদস্যদের মতামতের ভিত্তিতে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
মিরসরাই পৌর জামায়াতের আমির মাওলানা শিহাব উদ্দিন বলেন, বহিষ্কৃতদের কর্মকাণ্ড সংগঠনের নীতি-আদর্শের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল না। সতর্ক করার পরও সংশোধন না হওয়ায় সাংগঠনিকভাবে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
মিরসরাই উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা নুরুল কবিরও বলেন, সংগঠনে অসৎ কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের জায়গা দেওয়া হবে না। অভিযোগের কারণে তাদের বহিষ্কার করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
তবে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নিয়ে ভিন্ন বক্তব্য দিয়েছেন ইমরান হাসান আফনান। তিনি দাবি করেন, তিনি জামায়াতের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত নন। তাঁর ভাষায়, তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শিবিরের সর্বশেষ কমিটিতে আইনবিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্বে ছিলেন এবং বর্তমানে চাকসুর নির্বাচিত স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক। তাই জামায়াত তাঁকে কীভাবে বহিষ্কার করে, সে প্রশ্নও তোলেন তিনি।
আফনানের বক্তব্য অনুযায়ী, তিনি জামায়াতের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত না থাকায় তাঁর বিরুদ্ধে বহিষ্কারের সিদ্ধান্তের ভিত্তি নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। অন্যদিকে স্থানীয় জামায়াত নেতারা তাঁকে সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন বলে দাবি করেছেন।








