চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূতের প্রতি জামায়াতের কৃতজ্ঞতা

বাংলাদেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়ন ও পারস্পরিক সংলাপের পরিবেশ তৈরিতে ভূমিকার জন্য চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
বিজ্ঞাপন
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর মিন্টু রোডে বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সরকারি বাসভবনে অনুষ্ঠিত বিদায়ী সাক্ষাৎ ও বৈঠকে দলটির পক্ষ থেকে এ কৃতজ্ঞতা জানানো হয়। জামায়াতে ইসলামীর এক বিবৃতিতে বিষয়টি জানানো হয়েছে।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
বৈঠকে বাংলাদেশ ও চীনের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। দুই পক্ষই দুই দেশের অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদারের প্রত্যাশা ব্যক্ত করে। একই সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা ও উন্নয়ন কার্যক্রম এগিয়ে নিতে ভবিষ্যতেও দুই দেশ একসঙ্গে কাজ করবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।
জামায়াতের পক্ষ থেকে বলা হয়, জুলাই-পরবর্তী রাজনৈতিক পরিবর্তনের সময়ে বিভিন্ন দলের মধ্যে যোগাযোগ ও সম্পর্ক উন্নয়নের ক্ষেত্রে ইয়াও ওয়েনের ভূমিকা ছিল।
দলটির নেতারা দাবি করেন, সে সময় রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সংলাপের পরিবেশ তৈরিতেও তিনি ভূমিকা রেখেছেন। এ কারণে তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়।
বিজ্ঞাপন
চীনের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠকে দেশটির দূতাবাসের ডেপুটি চিফ অব মিশন ড. লিউ ইউয়িন, কালচারাল কাউন্সেলর লি শাওপেং, এটাচে লিয়াং শুয়িং এবং পলিটিক্যাল অ্যাফেয়ার্স এটাচে ওয়াং ডাউয়েই উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
এ ছাড়া জামায়াতের নায়েবে আমির এ টি এম আজহারুল ইসলাম, সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন, এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, নূরুল ইসলাম বুলবুল, মো. মোবারক হোসাইন, ড. মুহাম্মদ রেজাউল করিম, জাহিদুর রহমান এবং বিরোধীদলীয় নেতার পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা কমিটির সদস্য আলী আহমাদ মাবরুর উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে ২৩ সেপ্টেম্বর ঢাকায় চীনা দূতাবাসের আয়োজিত জাতীয় দিবসের সংবর্ধনায়ও ডা. শফিকুর রহমান ও ইয়াও ওয়েনের সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় হয়। ওই অনুষ্ঠানে শফিকুর রহমান চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের উদ্দেশে একটি শুভেচ্ছাবার্তাও হস্তান্তর করেন।








