ধরা পড়ার আগে রোমান্টিক, ধরা পড়লে কয় বউ: তাহেরী

সাতক্ষীরা-৪ আসনের জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের ব্যক্তিগত মুহূর্তের একাধিক ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার ঘটনায় যখন দেশজুড়ে আলোচনা-সমালোচনা চলছে, তখন বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্যে মন্তব্য করেছেন আলোচিত ইসলামি বক্তা মাওলানা গিয়াস উদ্দিন তাহেরী। তার বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ঘটনাটি নতুন করে আলোচনায় এসেছে।
বিজ্ঞাপন
সম্প্রতি একটি ওয়াজ মাহফিলে বক্তব্য দেওয়ার সময় মাওলানা তাহেরী গাজী নজরুল ইসলামকে ঘিরে চলমান বিতর্কের প্রসঙ্গ টেনে বিভিন্ন মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, এমপি গাজী নজরুল ইসলাম নিয়ে সাতক্ষীরায় কী চলতাছে। সাতক্ষীরা মেয়ের বয়স ১৪, মেয়ের বাপের বয়স ৩৬ আর ওনার বয়স হলো ৭৪, না কত? কী হিসাব-নিকাশ।
বক্তব্যের একপর্যায়ে তিনি বলেন, ধরা পড়ার আগে রোমান্টিক, ধরা পড়লে কয় বউ। এগুলো বিকৃত মানসিকতা।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
মাওলানা তাহেরী আরও অভিযোগ করেন, এসব ঘটনা এআই বলে চালিয়ে দেওয়া বিকৃত যৌনাচার। আবার ধরা খাওয়ার পর দ্বিতীয় বিয়ে বলে চালিয়ে দেওয়া পাক্কা মিথ্যাচার। প্রশাসনকে বলব, সঠিক তদন্ত করেন।
বিজ্ঞাপন
তিনি আরও বলেন, এই মিথ্যাবাদীদের মুখোশ উন্মোচনের সুযোগ এসেছে, এই মোনাফেকদের মুখোশ উন্মোচনের সুযোগ এসেছে। এদের মুখে ইসলাম আছে; কিন্তু অন্তরে ইসলাম নাই। এদের বট বহিনী আছে, হারামকে হালার বলতে তারা বট বাহিনী লাগিয়ে দেয়।
বক্তব্যের আরেক অংশে তাহেরী বলেন, এই লোকটা দেখলাম নির্বাচনের সময় সাদা পর্দা লাগাইছে। একপাশে মেয়েরা আর একপাশে উনি, দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে পর্দার কাছে যায় আর বলে —আপনারা ভালো করে চলবেন, পর্দা করবেন।
এর আগে গাজী নজরুল ইসলামের ব্যক্তিগত মুহূর্তের একাধিক ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। পরে তিনি দাবি করেন, মরিয়ম খাতুন নামে এক তরুণীকে পারিবারিকভাবে দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন এবং তার প্রথম স্ত্রীরও এ বিষয়ে সম্মতি ছিল। এ দাবির পক্ষে পৃথক ভিডিও বার্তায় বক্তব্য দেন তার প্রথম স্ত্রী, মরিয়ম খাতুন এবং কনের বাবা।
বিজ্ঞাপন
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
তবে পরবর্তীতে কাবিননামা, বিয়ে নিবন্ধনের সময়, কাজীর বক্তব্য এবং বিভিন্ন তথ্য সামনে আসার পর পুরো বিষয়টি নিয়ে নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে ব্যাপক আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।
এদিকে ভাইরাল ভিডিও, বিয়ের দাবি এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন তথ্য নিয়ে ইতোমধ্যে বিষয়টি খতিয়ে দেখার কথা জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। পাশাপাশি বিভিন্ন পক্ষ থেকে ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিও উঠেছে।








